০৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলমডাঙ্গায় মোবাইলের চার্জার নিয়ে খেলার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল শিশুর

শিশু মাইশা খাতুন

Ada. Munna Telecom1

ভাংবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, মাস চারেক আগে বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে ভাংবাড়িয়া ইউনিয়নের ভোগাইল বগাদি গ্রামে নানা শহিদুল হকের বাড়িতে মায়ের সঙ্গে থাকতো মাইশা। লোকমুখে শুনেছি সকালে মাইশা খাতুন মোবাইল চার্জার বিদ্যুতের প্লাগে দিলে বিদ্যুতায়িত হয়। এরপর সে অসুস্থ হলে পড়লে হাসপাতালে নেয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নাজমুল ইসলাম রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, শিশু মাইশা খাতুন মোবাইকের চার্জার নিয়ে খেলছিল। নিজের গলায় চার্জারের তার পেচানো ছিল। এসময় পাশেই বিদ্যুতের বোর্ডের চার্জার প্রবেশ করালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়ার আগেই মারা যায়।

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) শেখ গনি মিয়া রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি। মরদেহ হাসপাতালে আছে। সদর থানা পুলিশ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠালে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

জীবননগরের পিংকি হ ত্যা মামলার আসামি নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার

আলমডাঙ্গায় মোবাইলের চার্জার নিয়ে খেলার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল শিশুর

প্রকাশের সময় : ১০:২১:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ভাংবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, মাস চারেক আগে বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে ভাংবাড়িয়া ইউনিয়নের ভোগাইল বগাদি গ্রামে নানা শহিদুল হকের বাড়িতে মায়ের সঙ্গে থাকতো মাইশা। লোকমুখে শুনেছি সকালে মাইশা খাতুন মোবাইল চার্জার বিদ্যুতের প্লাগে দিলে বিদ্যুতায়িত হয়। এরপর সে অসুস্থ হলে পড়লে হাসপাতালে নেয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নাজমুল ইসলাম রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, শিশু মাইশা খাতুন মোবাইকের চার্জার নিয়ে খেলছিল। নিজের গলায় চার্জারের তার পেচানো ছিল। এসময় পাশেই বিদ্যুতের বোর্ডের চার্জার প্রবেশ করালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়ার আগেই মারা যায়।

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) শেখ গনি মিয়া রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি। মরদেহ হাসপাতালে আছে। সদর থানা পুলিশ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠালে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।