০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাড়িতে বাবার মরদেহ, পরীক্ষার হলে নাইম

Ada. Munna Telecom1

নাইম হোসেন হৃদয় মোল্যা মুকসুদপুর উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নের খাঞ্জাপুর গ্রামের মনিরুজ্জামান মোল্যার ছেলে এবং হাদিউজ্জামান মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

জানা যায়, সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে ওই পরীক্ষার্থীর বাবা বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান।

নাইম হোসেন হৃদয় মোল্যা বলেন, বাবার ইচ্ছে ছিল তার ছেলে বড় হয়ে বিসিএস ক্যাডার হবে। কিন্তু আমার বাবা তার ছেলের ভবিষ্যৎ দেখে যেতে পারলেন না। তার আগেই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেন।

শিক্ষার্থীর চাচা বাবুল মোল্যা বলেন, আমার ভাই মনিরুজ্জামান মোল্যা গতকাল রাতে স্ট্রোক করে ইন্তেকাল করেছেন। ভাতিজার পরীক্ষা শেষে তাকে দাফন করা হবে।

কেন্দ্রসচিব অচিন্ত কুমার বিশ্বাস জানান, শিক্ষার্থী নাইম হোসেন হৃদয় মোল্যার বাবা ইন্তেকাল করেছেন। আমরা খবর পেয়ে তাকে আলাদা পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলাম। সে জানিয়েছে সবার সঙ্গে বসেই পরীক্ষা দেবে। তার পরীক্ষার জন্য সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত মুকসুদপুর থানা পুলিশের এএসআই শফিকুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থী নাইম হোসেন হৃদয় মোল্যার পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে দেওয়ার জন্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় ইউপি সদস্যের বাড়িতে লুকানো ছিল ১০০০ লিটার ডিজেল: ১৫ দিনের কারাদণ্ড

বাড়িতে বাবার মরদেহ, পরীক্ষার হলে নাইম

প্রকাশের সময় : ০৮:৩৭:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নাইম হোসেন হৃদয় মোল্যা মুকসুদপুর উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নের খাঞ্জাপুর গ্রামের মনিরুজ্জামান মোল্যার ছেলে এবং হাদিউজ্জামান মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

জানা যায়, সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে ওই পরীক্ষার্থীর বাবা বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান।

নাইম হোসেন হৃদয় মোল্যা বলেন, বাবার ইচ্ছে ছিল তার ছেলে বড় হয়ে বিসিএস ক্যাডার হবে। কিন্তু আমার বাবা তার ছেলের ভবিষ্যৎ দেখে যেতে পারলেন না। তার আগেই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেন।

শিক্ষার্থীর চাচা বাবুল মোল্যা বলেন, আমার ভাই মনিরুজ্জামান মোল্যা গতকাল রাতে স্ট্রোক করে ইন্তেকাল করেছেন। ভাতিজার পরীক্ষা শেষে তাকে দাফন করা হবে।

কেন্দ্রসচিব অচিন্ত কুমার বিশ্বাস জানান, শিক্ষার্থী নাইম হোসেন হৃদয় মোল্যার বাবা ইন্তেকাল করেছেন। আমরা খবর পেয়ে তাকে আলাদা পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলাম। সে জানিয়েছে সবার সঙ্গে বসেই পরীক্ষা দেবে। তার পরীক্ষার জন্য সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত মুকসুদপুর থানা পুলিশের এএসআই শফিকুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থী নাইম হোসেন হৃদয় মোল্যার পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে দেওয়ার জন্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।