সম্প্রতির সময়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে রোগী ও তাদের স্বজনদের নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইলফোন সহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র খোয়া যাওয়ার ঘটনা ঘটছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ সদর হাসপাতালে নিয়োজিত পুলিশ থাকা সত্ত্বেও দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চোর ও ছিনতাইকারিরা। চিকিৎসা সেবা নিতে এসে অনেক গরীব রোগীরাও তাদের খপ্পরে পড়ছেন। একবার মূল্যবান জিনিষ হাতের মুঠোয় চলে গেলে তা সিসিটিভি ক্যামেরায় সনাক্ত হলেও পুলিশ তাদের টিকিটিও ছুতে পারেনা।

আজ মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুর ১২ টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে সেবা নিয়ে আসা এক রোগীর মোবাইল চুরির সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা থানাধীন হল্ট স্টেশন এলাকার মোহাম্মদ লালটুর স্ত্রী পাপিয়া খাতুন (২২)। পরে স্থানীয় রোগী ও স্বজনরা তাকে আটক করে সদর থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে।
জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালপাড়ার রমজানের স্ত্রী নাসিমা খাতুন (৪০) সদর হাসপাপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। এ সময় তার ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে কৌশলে বাটন মোবাইলটি চুরি করে রোগীবেশে এই পাপিয়া। পরে সন্দেহজনকভাবে তাকে আটক করে স্থানীয় রোগী ও স্বজনরা। পরে পাপিয়ার শরীর তল্লাশি করে চুরি যাওয়া মোবাইলটি উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি সদর থানা পুলিশকে জানানো হলে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল এসে পাপিয়াকে আটক করে থানায় নেই।

সদর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাসে এই নারী জানান, মোবাইলটি পড়েছিল। প্রকৃত মালিককে দেয়ার জন্য সন্ধান করছিলাম। তবে, ভুক্তভোগী নারী বলছেন, তার ভ্যানিটি ব্যাগ থেকেই মোবাইল চুরি করেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীকে মামলা বা অভিযোগ করতে বলা হয়েছে।
এএইচ
নিজস্ব প্রতিবেদক 









