০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় রং-তুলির আঁচড়ে ফুটে উঠছে দেবীর প্রতিমা, ১১৬ মণ্ডপে উৎসবের অপেক্ষা

শরতের স্নিগ্ধ আবহে ক্রমেই ঘনিয়ে আসছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। চুয়াডাঙ্গা জেলার মন্দিরগুলোতে এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমাশিল্পী, আয়োজক ও সংশ্লিষ্টরা। কোথাও চলছে প্রতিমার গায়ে রঙের শেষ আঁচড়, কোথাও প্যান্ডেল নির্মাণ, আবার কোথাও মন্দির প্রাঙ্গণ সাজানো হচ্ছে বর্ণিল আলোকসজ্জায়। প্রতিমা তৈরির মাটির কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এবার জেলার চার উপজেলায় মোট ১১৬টি মন্দিরে দুর্গোৎসব উদযাপিত হবে।

উৎসব নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ রাখতে প্রতিটি মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা ঘিরে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে বলে প্রত্যাশা করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। মন্দির কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, প্রতিবছরের আয়োজনের ধারাবাহিকতায় এবারও সাজসজ্জায় কিছুটা ভিন্নতা আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

জেলা পূজা উদযাপনসংশ্লিষ্ট আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ৩৩টি, আলমডাঙ্গায় ৩৯টি, দামুড়হুদায় ২০টি এবং জীবননগরে ২৪টি মন্দিরে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। সব মিলিয়ে জেলার ১১৬টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে।

এবারের পূজায় তিথিগত বিশেষত্বও রয়েছে। সপ্তমী তিথি দুই দিন হওয়ায় মহাষষ্ঠী থেকে বিজয়া দশমী পর্যন্ত ছয় দিন ধরে চলবে পূজার আনুষ্ঠানিকতা। প্রচলিত পঞ্জিকা অনুসারে, এবার দেবী দুর্গার আগমন ঘটবে ঘোটকে এবং বিজয়া দশমীতে গমন হবে নৌকায়। পঞ্জিকার প্রচলিত ব্যাখ্যায় ঘোটকে আগমনকে ‘ছত্রভঙ্গ’ এবং নৌকায় গমনকে শস্য ও জলবৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আজ ১০ অক্টোবর শনিবার মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হবে দেবীপক্ষ বা দুর্গাপূজার ক্ষণগণনা। এরপর ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীতে দেবীর বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মাধ্যমে সূচনা হবে মূল পূজার আনুষ্ঠানিকতা। সপ্তমীতে নবপত্রিকা প্রবেশ ও পূজা, অষ্টমীতে মহাষ্টমীর পূজা, অঞ্জলি ও সন্ধিপূজা এবং নবমীতে মহানবমীর পূজা ও হোম অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষে ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে পূজা সমাপন ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব।

সরেজমিনে চুয়াডাঙ্গা শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, বড় বাজারের শ্রী শ্রী সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে প্রতিমার গায়ে রঙের প্রলেপ দেওয়ার কাজ চলছে। শিল্পীদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে দেবী দুর্গার প্রতিমার রূপ। প্রতিমা নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলার পাশাপাশি মন্দিরের চারপাশ সাজানো হচ্ছে নানা ধরনের আলোকসজ্জায়। একই সঙ্গে ব্যস্ততা বেড়েছে প্যান্ডেল নির্মাণ ও সাজসজ্জার কাজে।

শহরের মালোপাড়া দুর্গা মন্দির, দৌলতদিয়াড় দক্ষিণ মাঠপাড়া বারোয়ারী দুর্গা মন্দির, সত্য নারায়ণ মন্দির ও তালতলা দুর্গা মন্দিরেও চলছে পূজার প্রস্তুতি। প্রতিমা সাজানো থেকে শুরু করে মন্দির প্রাঙ্গণকে উৎসবের উপযোগী করে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রতিমা নির্মাণের কারিগর উত্তম পাল বলেন, প্রতিবছরই প্রতিমার মধ্যে নতুন কিছু করার চেষ্টা থাকে। মন্দির কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা ও চাহিদা অনুযায়ী এবারও কাজ করছি। সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে আমরা আগেভাগেই কাজ শুরু করেছি।

দৌলতদিয়াড় দক্ষিণ পাড়া বারোয়ারী দুর্গা মন্দিরের কোষাধ্যক্ষ অঞ্জন সাহা আবির বলেন, “প্রতিমা নির্মাণ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মন্দিরে পূজার আবহ তৈরি হয়েছে। সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনাও বাড়ছে। মহাষষ্ঠী থেকে মূল পূজা শুরু হবে। পূজার সব আয়োজন সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রস্তুতি চলছে।”

সনাতন ধর্মাবলম্বী হারাধন চন্দ্র রায় বলেন, পূজা সামনে রেখে পূজামণ্ডপগুলোতে বাড়ছে সাজসজ্জা ও আলোকসজ্জার কাজ। এর সঙ্গে সাউন্ড ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে। দুর্গাপূজাকে ঘিরে ইতোমধ্যেই চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

সনাতন ধর্মাবলম্বী সুমিতা দে বলেন, পূজাকে ঘিরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে তৈরি হয় পারস্পরিক সম্প্রীতি ও মিলনমেলার পরিবেশ। মাটির কাঠামোয় দেবীর রূপ ফুটিয়ে তোলার মধ্য দিয়ে এখন সেই উৎসবের অপেক্ষায় জেলার পূজামণ্ডপগুলো।

চুয়াডাঙ্গা জেলা শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উদযাপনের প্রধান সমন্বয়ক হেমন্তু কুমার সিংহ রায় বলেন, দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গার মণ্ডপগুলোতে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। মন্দিরে চলছে প্রতিমা রঙের কাজ। প্রতিটি মণ্ডপে থাকবে কঠোর নিরাপত্তা। এ জন্য পুলিশ নিয়োজিত থাকবে। এই পূজায় যেন সবাই সবার মধ্যে আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারে, সেই বিষয়গুলো সামনে রেখেই এবার দুর্গাপূজা উদযাপন করা হবে।

চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ার বলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা থাকবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় রং-তুলির আঁচড়ে ফুটে উঠছে দেবীর প্রতিমা, ১১৬ মণ্ডপে উৎসবের অপেক্ষা

চুয়াডাঙ্গায় রং-তুলির আঁচড়ে ফুটে উঠছে দেবীর প্রতিমা, ১১৬ মণ্ডপে উৎসবের অপেক্ষা

প্রকাশের সময় : ০৫:৫০:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

শরতের স্নিগ্ধ আবহে ক্রমেই ঘনিয়ে আসছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। চুয়াডাঙ্গা জেলার মন্দিরগুলোতে এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমাশিল্পী, আয়োজক ও সংশ্লিষ্টরা। কোথাও চলছে প্রতিমার গায়ে রঙের শেষ আঁচড়, কোথাও প্যান্ডেল নির্মাণ, আবার কোথাও মন্দির প্রাঙ্গণ সাজানো হচ্ছে বর্ণিল আলোকসজ্জায়। প্রতিমা তৈরির মাটির কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এবার জেলার চার উপজেলায় মোট ১১৬টি মন্দিরে দুর্গোৎসব উদযাপিত হবে।

উৎসব নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ রাখতে প্রতিটি মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা ঘিরে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে বলে প্রত্যাশা করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। মন্দির কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, প্রতিবছরের আয়োজনের ধারাবাহিকতায় এবারও সাজসজ্জায় কিছুটা ভিন্নতা আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

জেলা পূজা উদযাপনসংশ্লিষ্ট আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ৩৩টি, আলমডাঙ্গায় ৩৯টি, দামুড়হুদায় ২০টি এবং জীবননগরে ২৪টি মন্দিরে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। সব মিলিয়ে জেলার ১১৬টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে।

এবারের পূজায় তিথিগত বিশেষত্বও রয়েছে। সপ্তমী তিথি দুই দিন হওয়ায় মহাষষ্ঠী থেকে বিজয়া দশমী পর্যন্ত ছয় দিন ধরে চলবে পূজার আনুষ্ঠানিকতা। প্রচলিত পঞ্জিকা অনুসারে, এবার দেবী দুর্গার আগমন ঘটবে ঘোটকে এবং বিজয়া দশমীতে গমন হবে নৌকায়। পঞ্জিকার প্রচলিত ব্যাখ্যায় ঘোটকে আগমনকে ‘ছত্রভঙ্গ’ এবং নৌকায় গমনকে শস্য ও জলবৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আজ ১০ অক্টোবর শনিবার মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হবে দেবীপক্ষ বা দুর্গাপূজার ক্ষণগণনা। এরপর ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীতে দেবীর বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মাধ্যমে সূচনা হবে মূল পূজার আনুষ্ঠানিকতা। সপ্তমীতে নবপত্রিকা প্রবেশ ও পূজা, অষ্টমীতে মহাষ্টমীর পূজা, অঞ্জলি ও সন্ধিপূজা এবং নবমীতে মহানবমীর পূজা ও হোম অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষে ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে পূজা সমাপন ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব।

সরেজমিনে চুয়াডাঙ্গা শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, বড় বাজারের শ্রী শ্রী সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে প্রতিমার গায়ে রঙের প্রলেপ দেওয়ার কাজ চলছে। শিল্পীদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে দেবী দুর্গার প্রতিমার রূপ। প্রতিমা নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলার পাশাপাশি মন্দিরের চারপাশ সাজানো হচ্ছে নানা ধরনের আলোকসজ্জায়। একই সঙ্গে ব্যস্ততা বেড়েছে প্যান্ডেল নির্মাণ ও সাজসজ্জার কাজে।

শহরের মালোপাড়া দুর্গা মন্দির, দৌলতদিয়াড় দক্ষিণ মাঠপাড়া বারোয়ারী দুর্গা মন্দির, সত্য নারায়ণ মন্দির ও তালতলা দুর্গা মন্দিরেও চলছে পূজার প্রস্তুতি। প্রতিমা সাজানো থেকে শুরু করে মন্দির প্রাঙ্গণকে উৎসবের উপযোগী করে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রতিমা নির্মাণের কারিগর উত্তম পাল বলেন, প্রতিবছরই প্রতিমার মধ্যে নতুন কিছু করার চেষ্টা থাকে। মন্দির কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা ও চাহিদা অনুযায়ী এবারও কাজ করছি। সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে আমরা আগেভাগেই কাজ শুরু করেছি।

দৌলতদিয়াড় দক্ষিণ পাড়া বারোয়ারী দুর্গা মন্দিরের কোষাধ্যক্ষ অঞ্জন সাহা আবির বলেন, “প্রতিমা নির্মাণ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মন্দিরে পূজার আবহ তৈরি হয়েছে। সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনাও বাড়ছে। মহাষষ্ঠী থেকে মূল পূজা শুরু হবে। পূজার সব আয়োজন সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রস্তুতি চলছে।”

সনাতন ধর্মাবলম্বী হারাধন চন্দ্র রায় বলেন, পূজা সামনে রেখে পূজামণ্ডপগুলোতে বাড়ছে সাজসজ্জা ও আলোকসজ্জার কাজ। এর সঙ্গে সাউন্ড ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে। দুর্গাপূজাকে ঘিরে ইতোমধ্যেই চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

সনাতন ধর্মাবলম্বী সুমিতা দে বলেন, পূজাকে ঘিরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে তৈরি হয় পারস্পরিক সম্প্রীতি ও মিলনমেলার পরিবেশ। মাটির কাঠামোয় দেবীর রূপ ফুটিয়ে তোলার মধ্য দিয়ে এখন সেই উৎসবের অপেক্ষায় জেলার পূজামণ্ডপগুলো।

চুয়াডাঙ্গা জেলা শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উদযাপনের প্রধান সমন্বয়ক হেমন্তু কুমার সিংহ রায় বলেন, দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গার মণ্ডপগুলোতে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। মন্দিরে চলছে প্রতিমা রঙের কাজ। প্রতিটি মণ্ডপে থাকবে কঠোর নিরাপত্তা। এ জন্য পুলিশ নিয়োজিত থাকবে। এই পূজায় যেন সবাই সবার মধ্যে আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারে, সেই বিষয়গুলো সামনে রেখেই এবার দুর্গাপূজা উদযাপন করা হবে।

চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ার বলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা থাকবে।