চুয়াডাঙ্গা সদরের উকতো গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে খলিল মণ্ডল (৪৩) নামের এক ব্যক্তিকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে। রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
রোববার (১০ মে) দুপুরে উপজেলার একটি কৃষি মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
আহত খলিল মণ্ডল সদর উপজেলার মাখালডাঙ্গা ইউনিয়নের উকতো গ্রামের নতুনপাড়ার বাসিন্দা ও মৃত ফজলু রহমানের ছেলে।
আহত খলিল মণ্ডল অভিযোগ করে বলেন, “আমি সকালে মাঠে গিয়ে আমার জমিতে কাজ করছিলাম। হঠাৎ আমার চাচা ইসমেইল ও চাচাতো ভাই খাইরুল সেখানে আসে। কোনো ধরনের কথা না বলেই তাদের হাতে থাকা দা দিয়ে আমাকে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে। এতে আমি গুরুতর আহত হই। পরে স্থানীয় ও পরিবারের সদস্যরা আমাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে।”
তিনি আরও বলেন, “আমার ছোট ভাই তার নিজ পাট ক্ষেতে বিষ দিয়েছিল। সেই বিষের প্রভাবে পাশের ক্ষেতের অর্থাৎ আমার চাচাতো ভাইয়ের দুই-একটি গাছের পাতা ক্ষতি হতে পারে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে।”
আহতের ছোট ভাই জলিল বলেন, “আমি প্রায় এক সপ্তাহ আগে আমার পাট ক্ষেতে বিষ দিয়েছিলাম। সেই বিষের প্রভাবে পাশের জমিতে থাকা চাচাতো ভাইয়ের দুই একটা কচুর পাতা পুড়তে পারে। কিন্তু এরপরও আমার চাচা ও চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে কয়েকবার দেখা হয়েছে, তখন তারা কিছুই বলেনি। আজ সকালে আমার ভাই মাঠে গেলে তারা ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। এতে আমার ভাই গুরুতর আহত হয়। এছাড়া তাদের সঙ্গে পূর্বে থেকেই বিরোধ চলে আসছিল কিছু কারণে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আব্দুল কাদের বলেন, “খলিল মণ্ডল নামের একজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন। তার পেট ও পিঠে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে এবং বাম হাত ভেঙে গেছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়েছে।”
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পরিদর্শক (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, “ঘটনাটি এখনও আমার জানা নেই।”
এএইচ
নিজস্ব প্রতিবেদক 























