চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার শ্রীরামপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে এক যুবকের প্রবেশকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত ১২টার দিকে ওই নারীর ঘরে প্রবেশের পর বাড়ির লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে সোহেল নামের এক যুবক গেঞ্জি, লুঙ্গি, স্যান্ডেল ও মোবাইল ফোন ফেলে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে ঘটনাস্থল থেকে মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কালিদাসপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে একই গ্রামের সফর আলীর ছেলে সোহেলের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় বলে স্থানীয়দের দাবি। সোহেল মাঝেমধ্যে ওই নারীর ঘরে যেতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এর আগেও সোহেল ওই বাড়িতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ওই ঘটনার পর স্ত্রীকে বাবার বাড়িতে রেখে আসেন। পরে ছোট মেয়েটির কথা বিবেচনা করে তাঁকে আবারও স্বামীর বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার রাতেও সোহেল ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করেন। একপর্যায়ে বাড়ির লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে তাঁকে ধরতে এগিয়ে গেলে তিনি নিজের গেঞ্জি, লুঙ্গি ও স্যান্ডেল ফেলে পালিয়ে যান। এ সময় তাঁর মোবাইল ফোনও ঘটনাস্থলে পড়ে থাকে।
ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে আলমডাঙ্গা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকে সোহেল গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে আছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর দাবি, গত ১৫ দিন ধরে সোহেল তাঁকে বিভিন্ন কথা বলে বিরক্ত করছিলেন। শনিবার রাতে সোহেল তাঁর ঘরে প্রবেশ করলে তিনি চিৎকার দেন। তাঁর চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এলে সোহেল পোশাক ফেলে পালিয়ে যান।
সুত্র – দৈনিক মাথাভাঙ্গা
এএইচ
রেডিও চুয়াডাঙ্গা ডেস্ক 























