চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে পিকআপ ও ব্যাটারিচালিত পাখিভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত সালমা খাতুন (৪০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত পৌনে ৯টার দিকে যশোর সদর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
জীবননগর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) সোলায়মান শেখ রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত সালমা খাতুন উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের ধোপাখালী গ্রামের মিজু মিয়ার স্ত্রী। তার মৃত্যুর খবরে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এর আগে একই দিন দুপুর ১টার দিকে জীবননগর-দর্শনা সড়কের মনোহরপুর শিমুলতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা মেট্রো-ন-১৯-৭৭৪৪ নম্বরের একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে ব্যাটারিচালিত ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে তিনি গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনায় তার বাম পায়ের হাঁটুর ওপরের অংশের হাড় ভেঙে বাইরে বেরিয়ে আসে, যা তার অবস্থাকে আশঙ্কাজনক করে তোলে। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে শেষ পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ওসি সোলায়মান শেখ রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, সড়ক দূর্ঘটনার আহত নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। দুর্ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পিকআপ ভ্যানটি জব্দ করেছে। তবে ঘটনার পরপরই চালক পালিয়ে যায়। তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এএইচ
জীবননগর অফিস 























