চুয়াডাঙ্গা শহরের কোর্ট মোড় থেকে শুরু হয়ে বড়বাজারের আলী হোসেন সুপার মার্কেটে গিয়ে শেষ হলো জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টম্বর) বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত চলা এ কর্মসূচিতে অংশ নেয় দলের স্থানীয় ও কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অনুসারী বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াতের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল। তার সঙ্গে ছিলেন পৌর আমির অ্যাডভোকেট হাসিবুল ইসলাম, পৌর সেক্রেটারি মোস্তফা কামাল, নায়েবে আমির শফিকুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের জেলা সেক্রেটারি হাফেজ আমিরুল ইসলাম, পৌর সভাপতি রাব্বি হাসান, সাবেক সভাপতি আবু রায়হানসহ আরও অনেকে।
লিফলেট বিতরণের মধ্য দিয়ে দলটি তাদের দাবি-দাওয়াকে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছে।
বক্তব্যে অ্যাডভোকেট রাসেল স্পষ্ট করে বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য জুলাই বিপ্লবের সনদই হতে পারে একমাত্র পথ। তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার পর থেকে দীর্ঘ ৫৩ বছরে গণতন্ত্র এখানে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি। ন্যায্য নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি, জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন এবং অতীতের জুলুম-নিপীড়নের বিচার—এসবকেই তারা আন্দোলনের মূল লক্ষ্য হিসেবে দেখছেন।

লিফলেটে জামায়াতের পাঁচ দফা দাবি জনগণের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এর মধ্যে ছিল আগামী ফেব্রুয়ারিতে জুলাই সনদের ভিত্তিতে নির্বাচন আয়োজন, সংসদের উভয় কক্ষে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতি চালু, সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকরণ, সরকারের দুর্নীতি ও গণহত্যার বিচার এবং জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা। দলের দাবি, এসব বাস্তবায়িত হলে দেশে সুশাসন, ইনসাফ ও প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
এএইচ
অর্ণব আহমেদ আশিক 





















