০৫:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩৫ বছরের নারীকে বিয়ের দাবিতে ৭৫ বছরের বৃদ্ধের অনশন

Ada. Munna Telecom1

‎আবুল কাসেম মুন্সি উপজেলার বেতমোর রাজপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম মিঠাখালী গ্রামের মৃত আজাহার আলী মুন্সির ছেলে। স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি পুনরায় বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। প্রায় দুই মাস আগে ওই নারীর সঙ্গে পরিচয় হলে বিয়ের প্রস্তাবে তিনি রাজি হন বলে দাবি বৃদ্ধের।

‎বৃদ্ধ আবুল কাসেম মুন্সি বলেন, বিয়ের কথা বলে ওই নারী আমার কাছ থেকে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা নিয়েছে। কিন্তু কিছুদিন ধরে হঠাৎ যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এমনকি আমাকে ভুল ঠিকানাও দেয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর আজ সকালে তার আসল বাড়ি খুঁজে পেয়েছি। হয় আমার টাকা ফেরত দেবে, নয়তো আমাকে বিয়ে করবে। এই দাবিতেই আমি অনশনে বসেছি।

এলাকাবাসী জানায়, ওই নারী আগেও একাধিক পুরুষকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তিনি যেন আর কাউকে প্রতারিত করতে না পারেন সেজন্য তার শাস্তি হওয়া উচিত।

‎এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে ওই নারী আত্মগোপনে চলে যান। ফলে বৃদ্ধের অনশন ঘিরে গ্রামে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।

‎ঠুটাখালী গ্রামের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য পলাশ ফকির বলেন, তারা উভয়ই একাধিক বিয়ে করেছেন। ওই বৃদ্ধ এখন অনশনে নেই। তাদের বিষয়ে আর কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।

‎এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল কাইয়ূম বলেন, আমার কাছে এমন কোন অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ এলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

জীবননগরের পিংকি হ ত্যা মামলার আসামি নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার

৩৫ বছরের নারীকে বিয়ের দাবিতে ৭৫ বছরের বৃদ্ধের অনশন

প্রকাশের সময় : ০২:৫৬:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

‎আবুল কাসেম মুন্সি উপজেলার বেতমোর রাজপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম মিঠাখালী গ্রামের মৃত আজাহার আলী মুন্সির ছেলে। স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি পুনরায় বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। প্রায় দুই মাস আগে ওই নারীর সঙ্গে পরিচয় হলে বিয়ের প্রস্তাবে তিনি রাজি হন বলে দাবি বৃদ্ধের।

‎বৃদ্ধ আবুল কাসেম মুন্সি বলেন, বিয়ের কথা বলে ওই নারী আমার কাছ থেকে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা নিয়েছে। কিন্তু কিছুদিন ধরে হঠাৎ যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এমনকি আমাকে ভুল ঠিকানাও দেয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর আজ সকালে তার আসল বাড়ি খুঁজে পেয়েছি। হয় আমার টাকা ফেরত দেবে, নয়তো আমাকে বিয়ে করবে। এই দাবিতেই আমি অনশনে বসেছি।

এলাকাবাসী জানায়, ওই নারী আগেও একাধিক পুরুষকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তিনি যেন আর কাউকে প্রতারিত করতে না পারেন সেজন্য তার শাস্তি হওয়া উচিত।

‎এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে ওই নারী আত্মগোপনে চলে যান। ফলে বৃদ্ধের অনশন ঘিরে গ্রামে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।

‎ঠুটাখালী গ্রামের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য পলাশ ফকির বলেন, তারা উভয়ই একাধিক বিয়ে করেছেন। ওই বৃদ্ধ এখন অনশনে নেই। তাদের বিষয়ে আর কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।

‎এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল কাইয়ূম বলেন, আমার কাছে এমন কোন অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ এলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।