১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে বিনামূল্যে সেহরি পেয়ে খুশি রোগী ও স্বজনরা

কার্যক্রমের প্রথম দিনেই হাসপাতালের প্রায় ২ শতাধিক রোগী ও স্বজনদের মাধ্যে সেহরি পৌঁছে দেওয়া হয়। মাসব্যাপি তাদের এই কার্যক্রমন চলমান থাকবে। বিনামূল্যে সেহরি পেয়ে খুশি রোগী ও স্বজনরা। তাদের এই কার্যক্রমে প্রশংসায় ভাসছে এই সংগঠনটি।

রোগীর স্বজনরা জানান, আমরা অনেকে দূরদূরান্ত থেকে হাসপাতালে আসি। এছাড়া আশপাশে ভাল মানের খাবার হোটেল নাই যে সেহরি খেতে পারব। আল মুহসিন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রতি রাতে সেহরি দিচ্ছে। এতে অনেকে উপকৃত হচ্ছেন।

মেডিসিন ওয়ার্ডের এক রোগীর স্বজন রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, আমার মেয়ে আজ ৩ দিন ভর্তি আছে। আমি ও আমার মা রাতে থাকি মেয়ের কাছে। প্রতিরাতে সেহরি দিয়ে যান তারা। আমরা সেটা খেয়ে রোজা থাকি। সেহরি পেয়ে আমাদের খুব উপকার হয়। তার এই কাজটাকে আমরা স্যালুট জানাই।

আল-মুহসিন (সমাজ কল্যাণ সংস্থা)’র সভাপতি ইউসুফ রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে জানান, সদর হাসপাতালে অপেক্ষাকৃত গরিব মানুষ বেশি চিকিৎসা নিতে আসেন। অনেক সময় দেখা যায় দূরদূরান্ত থেকে রোগী ভর্তি হয়। রোগীর সঙ্গে দুইজন তিনজন থাকে। এরমধ্যে অনেকে কলা-পাউরুটি, বিস্কুট-পানি খেয়ে রোজা পালন করেন। দুস্থ রোগী, অসহায় অথবা যে কেউ আসুক, এখান থেকে তারা ফ্রি সেহরি পাবেন। এদের কথা চিন্তা করেই বিনামূল্যে রমজান মাসজুড়ে এই কার্যক্রমের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

আল-মুহসিন (সমাজ কল্যাণ সংস্থা) সহ-সাধারণ সম্পাদক ইয়ামিন রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, ভালো কাজ করার জন্য খুব বেশি টাকা-পয়সার দরকার হয় না। ভালো একটা মন থাকা চাই। শুধু একটা কথা বলবো, আপনার ভেতরটাকে একটু জাগ্রত করুন। কেউ এগিয়ে আসবে তা নয়, আপনি নিজে আগে এগিয়ে আসুন। কিছু না পারি, একটা খেজুর এবং এক বোতল পানি যদি কোনো মানুষের হাতে তুলে দিতে পারি, এটার জন্যও আল্লাহ আরও ৭০ গুণ বরকত দিয়ে দেবেন। অন্তত আমরা এইটুকু চিন্তা করি, আমরা কিছু করতে চাই কিনা। উদ্যোগ একজন নেয়, সেটা সফল করে আপনাদের আমাদের মতো মানুষ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গাসহ সারাদেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে বিনামূল্যে সেহরি পেয়ে খুশি রোগী ও স্বজনরা

প্রকাশের সময় : ০১:১৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০২৪

কার্যক্রমের প্রথম দিনেই হাসপাতালের প্রায় ২ শতাধিক রোগী ও স্বজনদের মাধ্যে সেহরি পৌঁছে দেওয়া হয়। মাসব্যাপি তাদের এই কার্যক্রমন চলমান থাকবে। বিনামূল্যে সেহরি পেয়ে খুশি রোগী ও স্বজনরা। তাদের এই কার্যক্রমে প্রশংসায় ভাসছে এই সংগঠনটি।

রোগীর স্বজনরা জানান, আমরা অনেকে দূরদূরান্ত থেকে হাসপাতালে আসি। এছাড়া আশপাশে ভাল মানের খাবার হোটেল নাই যে সেহরি খেতে পারব। আল মুহসিন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রতি রাতে সেহরি দিচ্ছে। এতে অনেকে উপকৃত হচ্ছেন।

মেডিসিন ওয়ার্ডের এক রোগীর স্বজন রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, আমার মেয়ে আজ ৩ দিন ভর্তি আছে। আমি ও আমার মা রাতে থাকি মেয়ের কাছে। প্রতিরাতে সেহরি দিয়ে যান তারা। আমরা সেটা খেয়ে রোজা থাকি। সেহরি পেয়ে আমাদের খুব উপকার হয়। তার এই কাজটাকে আমরা স্যালুট জানাই।

আল-মুহসিন (সমাজ কল্যাণ সংস্থা)’র সভাপতি ইউসুফ রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে জানান, সদর হাসপাতালে অপেক্ষাকৃত গরিব মানুষ বেশি চিকিৎসা নিতে আসেন। অনেক সময় দেখা যায় দূরদূরান্ত থেকে রোগী ভর্তি হয়। রোগীর সঙ্গে দুইজন তিনজন থাকে। এরমধ্যে অনেকে কলা-পাউরুটি, বিস্কুট-পানি খেয়ে রোজা পালন করেন। দুস্থ রোগী, অসহায় অথবা যে কেউ আসুক, এখান থেকে তারা ফ্রি সেহরি পাবেন। এদের কথা চিন্তা করেই বিনামূল্যে রমজান মাসজুড়ে এই কার্যক্রমের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

আল-মুহসিন (সমাজ কল্যাণ সংস্থা) সহ-সাধারণ সম্পাদক ইয়ামিন রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, ভালো কাজ করার জন্য খুব বেশি টাকা-পয়সার দরকার হয় না। ভালো একটা মন থাকা চাই। শুধু একটা কথা বলবো, আপনার ভেতরটাকে একটু জাগ্রত করুন। কেউ এগিয়ে আসবে তা নয়, আপনি নিজে আগে এগিয়ে আসুন। কিছু না পারি, একটা খেজুর এবং এক বোতল পানি যদি কোনো মানুষের হাতে তুলে দিতে পারি, এটার জন্যও আল্লাহ আরও ৭০ গুণ বরকত দিয়ে দেবেন। অন্তত আমরা এইটুকু চিন্তা করি, আমরা কিছু করতে চাই কিনা। উদ্যোগ একজন নেয়, সেটা সফল করে আপনাদের আমাদের মতো মানুষ।