০৫:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় আ.লীগ নেতাসহ উভয়পক্ষের তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম

তাদেরকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে গাইটঘাট গ্রামের কমলার দোহাপাড়ায় এঘটনা ঘটে।

প্রথম পক্ষের আহতরা হলেন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মাখালডাঙ্গা ইউনিয়নের গাইটঘাট গ্রামের ইলাহি বক্সের দুই ছেলে ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম (৫৪) ও মিকাইল ইসলাম (৪৫)।

অপর পক্ষের আহত একই গ্রামের মোস্তাফার ছেলে জালাল উদ্দিন (৩৫)।

আহত রফিকুল উসলাম রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, কমলার দোহা বিলে আমার ভাই মতিয়ারের ২০ শতাংশ মালিকানা রয়েছে। সম্প্রতি ইউনিয়ন আওয়ামীগীগের সভাপতি ও বিজয়ী চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ সাহা তার কর্মী পৌর এলাকার সুমিরদিয়া গ্রামের জাফরকে দিয়ে আমার ভাই সহ বিলের অন্যান্য পার্টনারের কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করেন।

এরই জের ধরে সন্ধার দিকে জাফর, গাইটঘাট গ্রামের জালাল, নুরুল ও রাসেল ধারাল অস্ত্র ও লাঠিসোঠা নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আমাদের উপর অর্তকিত হামলা চালায়। আমাকে আমার হাতে ও বুকে ধারাল অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়। আমার ভাইকেও মারধর করে তারা। এ বিষয়ে আমি আগামীকাল (আজ) মামলা দায়ের করব।

মাখালডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আরশাদ উদ্দীন চন্দন অভিযোগ করে রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, কমলার দোহা বিলে মাছ নিয়ে বিজয়ী চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ সাহার উস্কানিতে আমার কর্মীদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। একজনের মোটরসাইকেল ভাংচুর করা হয়েছে। শুনেছি এঘটনায় তিনজন আহত হয়েছেন।

বিজয়ী চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ সাহা রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, ঘটনার পরই আহতদের খোজখবর নিতে সদর হাসপাতালে ছুটে গিয়েছি। মূলত গতপরশু কমলা দোহা বিলে মারা যাওয়া মাছ পচে এলাকায় দূর্গন্ধ ছড়াতে থাকে।

এ নিয়ে আমার কর্মী জাফর উচ্চস্বরে তাদেরকে মাছগুলো সরাতে বললে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরপরই জাফরের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে মোবাইলে অভিযোগ করেন তারা। সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মাছগুলো বিল থেকে সরানোর জন্য বলে। এরই জের ধরে গতকাল মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আমার কর্মী জালালকে মারধর ও ধারাল অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়েছেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলি রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, প্রাথমিকভাবে জেনেছি কমলার দোহার বিলে মরা মাছ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে মারামারিতে তিনজন আহত হয়েছেন বলে জেনেছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় আ.লীগ নেতাসহ উভয়পক্ষের তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম

প্রকাশের সময় : ০৮:৫৪:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মার্চ ২০২৪

তাদেরকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে গাইটঘাট গ্রামের কমলার দোহাপাড়ায় এঘটনা ঘটে।

প্রথম পক্ষের আহতরা হলেন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মাখালডাঙ্গা ইউনিয়নের গাইটঘাট গ্রামের ইলাহি বক্সের দুই ছেলে ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম (৫৪) ও মিকাইল ইসলাম (৪৫)।

অপর পক্ষের আহত একই গ্রামের মোস্তাফার ছেলে জালাল উদ্দিন (৩৫)।

আহত রফিকুল উসলাম রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, কমলার দোহা বিলে আমার ভাই মতিয়ারের ২০ শতাংশ মালিকানা রয়েছে। সম্প্রতি ইউনিয়ন আওয়ামীগীগের সভাপতি ও বিজয়ী চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ সাহা তার কর্মী পৌর এলাকার সুমিরদিয়া গ্রামের জাফরকে দিয়ে আমার ভাই সহ বিলের অন্যান্য পার্টনারের কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করেন।

এরই জের ধরে সন্ধার দিকে জাফর, গাইটঘাট গ্রামের জালাল, নুরুল ও রাসেল ধারাল অস্ত্র ও লাঠিসোঠা নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আমাদের উপর অর্তকিত হামলা চালায়। আমাকে আমার হাতে ও বুকে ধারাল অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়। আমার ভাইকেও মারধর করে তারা। এ বিষয়ে আমি আগামীকাল (আজ) মামলা দায়ের করব।

মাখালডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আরশাদ উদ্দীন চন্দন অভিযোগ করে রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, কমলার দোহা বিলে মাছ নিয়ে বিজয়ী চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ সাহার উস্কানিতে আমার কর্মীদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। একজনের মোটরসাইকেল ভাংচুর করা হয়েছে। শুনেছি এঘটনায় তিনজন আহত হয়েছেন।

বিজয়ী চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ সাহা রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, ঘটনার পরই আহতদের খোজখবর নিতে সদর হাসপাতালে ছুটে গিয়েছি। মূলত গতপরশু কমলা দোহা বিলে মারা যাওয়া মাছ পচে এলাকায় দূর্গন্ধ ছড়াতে থাকে।

এ নিয়ে আমার কর্মী জাফর উচ্চস্বরে তাদেরকে মাছগুলো সরাতে বললে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরপরই জাফরের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে মোবাইলে অভিযোগ করেন তারা। সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মাছগুলো বিল থেকে সরানোর জন্য বলে। এরই জের ধরে গতকাল মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আমার কর্মী জালালকে মারধর ও ধারাল অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়েছেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলি রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, প্রাথমিকভাবে জেনেছি কমলার দোহার বিলে মরা মাছ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে মারামারিতে তিনজন আহত হয়েছেন বলে জেনেছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।