০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাবাকে খুঁজতে গিয়ে বন্যার পানিতে ঢুবে ২ বছরের শিশুর মৃত্যু

Ada. Munna Telecom1

বন্যার পানিতে ডুবে মো. আব্দুর রহমান (২) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) সকালে নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়নের বীরকোট পশ্চিমপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

মৃত শিশু আব্দুর রহমান কেশারপাড় ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বীরকোট পশ্চিমপাড়ার পাটোয়ারী বাড়ি নিবাসী মো. গিয়াস উদ্দিনের ছেলে। গিয়াস উদ্দিন পার্শ্ববর্তী উন্দানিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জামাল বলেন, বাড়িতে বন্যার হাঁটু পানি। পানিবন্দি মানুষজন শিক্ষক গিয়াস উদ্দিনকে বাড়িতে আশ্রয় নেন। পারিবারিক প্রয়োজনে সকালে গিয়াস উদ্দিন বাড়ি থেকে বের হন। তার ছেলে বাবাকে খুঁজতে পেছন পেছন যায়। সে বিষয়টি টের পায়নি। এর কিছুক্ষণ পর অনেক খোঁজাখুঁজি করলেও শিশুটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। প্রায় দুই ঘণ্টা পর বাড়ি পাশেই তার মরদেহ ভেসে ওঠে। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে শোকে কাতর সবাই।

কেশারপাড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হক বলেন, শিক্ষক গিয়াস উদ্দিনের সন্তানের মৃত্যুর খবরে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি নিজের বাড়িতে প্লাবিত মানুষদের ঠাঁই দিয়েছেন। তার একমাত্র সন্তানের মৃত্যু আমরা কেউই মেনে নিতে পারছি না।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় ইউপি সদস্যের বাড়িতে লুকানো ছিল ১০০০ লিটার ডিজেল: ১৫ দিনের কারাদণ্ড

বাবাকে খুঁজতে গিয়ে বন্যার পানিতে ঢুবে ২ বছরের শিশুর মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ০২:০৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৪

বন্যার পানিতে ডুবে মো. আব্দুর রহমান (২) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) সকালে নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়নের বীরকোট পশ্চিমপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

মৃত শিশু আব্দুর রহমান কেশারপাড় ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বীরকোট পশ্চিমপাড়ার পাটোয়ারী বাড়ি নিবাসী মো. গিয়াস উদ্দিনের ছেলে। গিয়াস উদ্দিন পার্শ্ববর্তী উন্দানিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জামাল বলেন, বাড়িতে বন্যার হাঁটু পানি। পানিবন্দি মানুষজন শিক্ষক গিয়াস উদ্দিনকে বাড়িতে আশ্রয় নেন। পারিবারিক প্রয়োজনে সকালে গিয়াস উদ্দিন বাড়ি থেকে বের হন। তার ছেলে বাবাকে খুঁজতে পেছন পেছন যায়। সে বিষয়টি টের পায়নি। এর কিছুক্ষণ পর অনেক খোঁজাখুঁজি করলেও শিশুটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। প্রায় দুই ঘণ্টা পর বাড়ি পাশেই তার মরদেহ ভেসে ওঠে। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে শোকে কাতর সবাই।

কেশারপাড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হক বলেন, শিক্ষক গিয়াস উদ্দিনের সন্তানের মৃত্যুর খবরে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি নিজের বাড়িতে প্লাবিত মানুষদের ঠাঁই দিয়েছেন। তার একমাত্র সন্তানের মৃত্যু আমরা কেউই মেনে নিতে পারছি না।