০৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল ইন্টার্ন নার্সের মরদেহ

Ada. Munna Telecom1

রাজধানীর ভাটারার শাহজাদপুর খিলবাড়িটেক এলাকায় লিলি বিশ্বাস (২৩) নামের এক তরুণী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নার্স হিসেবে ইন্টার্ন করছিলেন।

সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে দুইটার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।

নিহতের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার লাখিরপাড় গ্রামে। বর্তমানে বাড্ডা খিলবাড়িটেক শাহজাদপুর এলাকার বাসিন্দা।

মৃত লিলি বিশ্বাসের বাবা লিটন বিশ্বাস জানান, আমার মেয়ে নার্সিং পাস করে এখন হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে ইন্টার্ন করছিল। আজ সকাল ১১টার দিকে আমরা স্বামী-স্ত্রী দুইজন বাসার বাইরে বের হই। দুপুরের দিকে বাসায় এসে দরজা বন্ধ পাই। অনেক ডাকাডাকির পর দরজা না খুললে আশপাশের লোকজনের সহযোগিতায় দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে দেখি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে আছে মেয়ে।

পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। কী কারণে আমার মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে, সে বিষয়টি বলতে পারছি না।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহ ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় পাচারকালে ২৮০ কেজি সরকারি চাল-আটা জব্দ : জরিমানার পর সেই বিএনপি নেতা বহিষ্কার

ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল ইন্টার্ন নার্সের মরদেহ

প্রকাশের সময় : ০৬:৩০:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর ভাটারার শাহজাদপুর খিলবাড়িটেক এলাকায় লিলি বিশ্বাস (২৩) নামের এক তরুণী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নার্স হিসেবে ইন্টার্ন করছিলেন।

সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে দুইটার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।

নিহতের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার লাখিরপাড় গ্রামে। বর্তমানে বাড্ডা খিলবাড়িটেক শাহজাদপুর এলাকার বাসিন্দা।

মৃত লিলি বিশ্বাসের বাবা লিটন বিশ্বাস জানান, আমার মেয়ে নার্সিং পাস করে এখন হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে ইন্টার্ন করছিল। আজ সকাল ১১টার দিকে আমরা স্বামী-স্ত্রী দুইজন বাসার বাইরে বের হই। দুপুরের দিকে বাসায় এসে দরজা বন্ধ পাই। অনেক ডাকাডাকির পর দরজা না খুললে আশপাশের লোকজনের সহযোগিতায় দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে দেখি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে আছে মেয়ে।

পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। কী কারণে আমার মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে, সে বিষয়টি বলতে পারছি না।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহ ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।