চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার উদ্যোগে শহরব্যাপী মশক নিধন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রোববার (২৭ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনের ড্রেন গুলোতে মশক নিধন স্প্রে করে শহরব্যাপী কর্মসূচির উদ্ধোধন করা হয়।
মশক নিধন কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার। এ সময় চুয়াডাঙ্গা কোর্টমোড় এলাকার ট্রেনগুলোতে মশক নিধনের জন্য ফগার মেশিন দিয়ে স্প্রে করা হয়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার বলেন, ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের জুন মাসে ডেঙ্গু সচেতনতার জন্য ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ ছিল। সেই টাকাটা আমরা ওই বছরে খরচ করতে পারিনি। পরবর্তীতে আমরা মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলেছি, মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা দিয়েছে যেহেতু টাকাটা স্বল্প সময়ের জন্য বরাদ্দ ছিল তাই টাকাটা ডেঙ্গু সংক্রান্ত যে কোন কাজে লাগানো যেতে পারে। এমনকি অর্থবছর শেষ হলেও টাকাটা ব্যয় করতে কোন রকমের প্রতিবন্ধকতা নেই। সেই টাকা থেকেই আমরা ৬৫ লিটার মশক নিধন স্প্রে কিনেছি। প্রতি ১ হাজার লিটার পানির সাথে ১ লিটার মশক নিধন বিষটা স্প্রে করলেই এটার কার্যকারিতা বোঝা যাবে।
তিনি আরও বলেন, আপনারা ইতোমধ্যেই দেখেছেন মশক নিধন স্প্রে করার পর ড্রেন থেকে সকল পোকামাকড় ও মশাগুলো বের হয়ে এসেছে। আমাদের নিকট ৬৫ লিটার মশক নিধোন ওষুধ রয়েছে। এটি দিয়ে পুরো অর্থবছরের মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঔষধ আছে পুরো পৌরসভার যে কোন জায়গায় মশা নিধনে আমরা এটি ব্যবহার করতে পারব। এটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশি কার্যকারিতা পাওয়া যায় বিকালে ব্যবহার করলে। চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার মশা নিধনে কার্যক্রম চালমান থাকবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সচিব এএসএম রেজাউল করিম, টিকাদান সুপার ভাইজার আলী হোসেনসহ পৌরসভার কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
এএইচ
রেডিও চুয়াডাঙ্গা ডেস্ক 



















