০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায় ভাড়া বাড়ি থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার

Ada. Munna Telecom1

চুয়াডাঙ্গা শহরের পৌর এলাকায় একটি ভাড়া বাসা থেকে গুলশান আরা চমন (৬৫) নামের এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পৌর এলাকার দক্ষিণ গোরস্থানপাড়ায় স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহত গুলশান আরা চমন ছিলেন দক্ষিণ গোরস্থানপাড়ার মরহুম পুলিশ সদস্য আবুল কাসেমের স্ত্রী। তিনি দীর্ঘ সাত বছর ধরে ওই ভাড়া বাসায় একাই বসবাস করছিলেন। তার কোনো সন্তানাদি ছিল না। স্বামীর পেনশনের টাকা দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

স্থানীয়রা জানান, গত শুক্রবার তাকে সর্বশেষ দেখা যায়। এরপর থেকে আর কোনো খোঁজ মেলেনি। সোমবার দুপুরে তার কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে দরজার গ্রিল কেটে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের বোন খুশি জানান, বৃহস্পতিবার বাজারে যাওয়ার কথা বলে গুলশান আরা চমন তাকে ফোন করেছিলেন এবং সেই দিন তাদের দেখা হয়েছিল। এরপর আর কোনো যোগাযোগ হয়নি। তিনি আগে থেকেই ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে ভুগছিলেন এবং অতীতে স্ট্রোকও করেছিলেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অসুস্থতার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। বাড়ির মূল ফটক ভেতর থেকে তালাবদ্ধ ছিল। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।”

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় ইউপি সদস্যের বাড়িতে লুকানো ছিল ১০০০ লিটার ডিজেল: ১৫ দিনের কারাদণ্ড

চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায় ভাড়া বাড়ি থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ০৩:০৭:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চুয়াডাঙ্গা শহরের পৌর এলাকায় একটি ভাড়া বাসা থেকে গুলশান আরা চমন (৬৫) নামের এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পৌর এলাকার দক্ষিণ গোরস্থানপাড়ায় স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহত গুলশান আরা চমন ছিলেন দক্ষিণ গোরস্থানপাড়ার মরহুম পুলিশ সদস্য আবুল কাসেমের স্ত্রী। তিনি দীর্ঘ সাত বছর ধরে ওই ভাড়া বাসায় একাই বসবাস করছিলেন। তার কোনো সন্তানাদি ছিল না। স্বামীর পেনশনের টাকা দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

স্থানীয়রা জানান, গত শুক্রবার তাকে সর্বশেষ দেখা যায়। এরপর থেকে আর কোনো খোঁজ মেলেনি। সোমবার দুপুরে তার কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে দরজার গ্রিল কেটে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের বোন খুশি জানান, বৃহস্পতিবার বাজারে যাওয়ার কথা বলে গুলশান আরা চমন তাকে ফোন করেছিলেন এবং সেই দিন তাদের দেখা হয়েছিল। এরপর আর কোনো যোগাযোগ হয়নি। তিনি আগে থেকেই ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে ভুগছিলেন এবং অতীতে স্ট্রোকও করেছিলেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অসুস্থতার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। বাড়ির মূল ফটক ভেতর থেকে তালাবদ্ধ ছিল। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।”