চুয়াডাঙ্গা শহরের ‘চুয়াডাঙ্গা আবাসিক হোটেল’ থেকে মাহবুবুর রহমান মাসুম নামের এক টেক্সটাইল প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১ টার দিকে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানায়। পরে থানার ওসিসহ পুলিশের টিম ঘটবাস্থলে আসেন।

মাহবুবুর রহমান মাসুম চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার কেদারগঞ্জ সবুজপাড়ার মুজিবর রহমানের ছেলে।
তিনি পেশায় একজন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার এবং তার বাড়ি কেদারগঞ্জ সবুজপাড়ায় হলেও তিনি পরিবারের সঙ্গে ঢাকায় থাকতেন।
পুলিশ ও হোটেল কর্তৃপক্ষের সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার মামুনুর রহমান তিন বন্ধুর সঙ্গে চুয়াডাঙ্গায় ঘুরতে আসেন। তারা চুয়াডাঙ্গা আবাসিক হোটেলে ওঠেন।
হোটেলের ম্যানেজার সাগর জানান, তারা তিনজনই নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন। পরবর্তীতে মামুনুরের দুই বন্ধু চলে গেলেও তিনি হোটেলেই থেকে যান। মামুনুর বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। তার বন্ধুরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে চাইলেও তিনি রাজি হননি। শনিবার সকালে হোটেলের চতুর্থ তলা থেকে কান্নার শব্দ শুনে তিনি উপরে গিয়ে দেখতে পান মামুনুরের স্বজনরা সেখানে কান্নাকাটি করছেন। স্বজনদের পরামর্শ দেওয়া হয় মামুনুরকে সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য। এরপর তারা দেখতে পান মামুনুরের মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছে এবং তিনি মারা গেছেন। তখন স্বজনরা জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে খবর দেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) খালেদুর রহমান রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, মাহবুবুর রহমান মাসুম নামের এক ব্যক্তির মরদেহ হোটেলের রুমে রয়েছে। সিআইডির টিম এসে আলামত সংগ্রহ করবে৷ মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত করা হচ্ছে।

এদিকে, বেলা দেড়টাই এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মরদেহ হোটেলের কক্ষে রয়েছে।
এএইচ
এএইচ
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















