চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার বেলগাছিতে সোহেল (২০) নামের এক যুবককে জবাই করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
আজ মঙ্গলবার (০২ ডিসেম্বর) ভোরের দিকে বেলগাছি গ্রামের খরার মাঠে তার গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।

খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে।
নিহত সোহেল বেলগাছি গ্রামের বকচরপাড়ার আশরাফুল হকের ছেলে। পেশায় তিনি কৃষিকাজ করতেন।

একই এলাকার বাসিন্দা ও চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, ব্যক্তিগত শত্রুতা বা পূর্ব কোনো বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। তবে তদন্তেই প্রকৃত কারণ উদঘাটন হবে বলে মনে করছেন তারা।

নিহতের পিতা আশরাফুল হক হক রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, স্থানীয় তাহেরের ছেলে ফারুক ও হারুনের সঙ্গে পেয়ারা বাগানের একটি পেয়ারা গাছের ডাল ভাঙ্গা কিংবা পেয়ারা খাওয়া নিয়ে সোহেলের দ্বন্দ্ব হয়। এরই জের ধরে তাদের মধ্যে মারামারি হয় এবং সোহেলকে হত্যার হুমকি দেয় ফারুক। এরই জের ধরে ফারুক আমার ছেলেকে জবাই করেছে। আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই।

নিহত সোহেলের ছোট ভাই জুয়েল রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, সম্প্রতি ফারুকদের পেয়ারা বাগানের একটি ডাল ভাঙ্গাকে কেন্দ্র করে আমার ভাইকে তারা প্রথমে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। পরে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরে৷ এরপরই রাতের কোন সময় ফারুক আমার ভাইকে হত্যা করে ভুট্টা ক্ষেতে ফেলে রাখে। আমি তাদের কঠিন শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, পূর্ব বিরোধের জেরে সোহেলকে গলা কেটে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছি।
এএইচ
ঘটনাস্থল থেকে অর্ণব আহমেদ আশিক 






















