০৫:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় গত ২ দিনে দুই নারী-পুরুষের মরদেহ উদ্ধার

Ada. Munna Telecom1

চুয়াডাঙ্গা সদরের দৌলতদিয়াড় ও দামুড়হুদা উপজেলার চন্দ্রবাস থেকে নারীসহ দুজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ শুক্রবার (১২ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদরের দৌলতদিয়াড় এলাকার দক্ষিনপাড়া থেকে হামিদা ওরফে সুবর্ণা আক্তার রিয়া (৩২) নামের এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ এবং বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই)) বেলা ১১টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলার চন্দ্রবাস গ্রাম থেকে জুবায়ের হোসেনের (২০) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ। আজ শুক্রবার ময়নাতদন্তের পর দুজনের মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

জুবায়ের হোসেন দামুড়হুদা উপজেলার নাটুদহ ইউনিয়নের চন্দ্রবাস গ্রামের দিল্লিপাড়ার আইনাল আলীর ছেলে। এবং হামিদা ওরফে সুবর্ণা আক্তার রিয়া মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর থানাধীন বাবুখালী গ্রামের মিন্টুর মেয়ে। তিনি দ্বিতীয় স্বামী ও প্রথমপক্ষের দুই সন্তানকে নিয়ে দৌলতদিয়াড় এলাকার দক্ষিনপাড়ায় একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন।

হামিদা ওরফে সুবর্ণা আক্তার রিয়ার মৃতদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতকারী কর্মকর্তা চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সবুর হোসেন রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, ওই নারী ঘরের বারান্দায় বাশের সাথে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। দ্বিতীয় স্বামী ও প্রথমপক্ষের দুই সন্তানকে নিয়ে দৌলতদিয়াড়ে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। বৃহস্পতিবার রাতে এক সন্তান প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার জন্য মাকে ডাকতে যায়। এসময় ঘরে মাকে না পেয়ে তার বাবাকে ডাকে। পরে বারান্দায় হামিদা ওরফে সুবর্ণা আক্তার রিয়া ঝুলন্ত অবস্থা দেখতে পাই। সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মরদেহ উদ্ধার করে। তবে কি কারণে আত্মহত্যা করেছে এটা জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

অপরদিকে, জুবায়ের হোসেনের মৃতদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতকারী কর্মকর্তা নাটুদহ পুলিশ ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সোহরাব হোসেন রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে নিজ ঘরের রডের সাথে রশি পেচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন, চিকিৎসাও নিচ্ছিলেন। একসময় সুস্থ হতেন আবারও অসুস্থ হয়ে পড়তেন। এ কারণে আত্মহত্যা করতে পারে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এছাড়া তিনি বাড়িতেই একটি মুদিখানা দোকান পরিচালনা করতেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসলে বিস্তারিত জানা যাবে এটা আত্মহত্যা কিনা।

One thought on “চুয়াডাঙ্গায় গত ২ দিনে দুই নারী-পুরুষের মরদেহ উদ্ধার

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

জীবননগরের পিংকি হ ত্যা মামলার আসামি নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার

চুয়াডাঙ্গায় গত ২ দিনে দুই নারী-পুরুষের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ০৮:৩১:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪

চুয়াডাঙ্গা সদরের দৌলতদিয়াড় ও দামুড়হুদা উপজেলার চন্দ্রবাস থেকে নারীসহ দুজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ শুক্রবার (১২ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদরের দৌলতদিয়াড় এলাকার দক্ষিনপাড়া থেকে হামিদা ওরফে সুবর্ণা আক্তার রিয়া (৩২) নামের এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ এবং বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই)) বেলা ১১টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলার চন্দ্রবাস গ্রাম থেকে জুবায়ের হোসেনের (২০) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ। আজ শুক্রবার ময়নাতদন্তের পর দুজনের মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

জুবায়ের হোসেন দামুড়হুদা উপজেলার নাটুদহ ইউনিয়নের চন্দ্রবাস গ্রামের দিল্লিপাড়ার আইনাল আলীর ছেলে। এবং হামিদা ওরফে সুবর্ণা আক্তার রিয়া মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর থানাধীন বাবুখালী গ্রামের মিন্টুর মেয়ে। তিনি দ্বিতীয় স্বামী ও প্রথমপক্ষের দুই সন্তানকে নিয়ে দৌলতদিয়াড় এলাকার দক্ষিনপাড়ায় একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন।

হামিদা ওরফে সুবর্ণা আক্তার রিয়ার মৃতদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতকারী কর্মকর্তা চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সবুর হোসেন রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, ওই নারী ঘরের বারান্দায় বাশের সাথে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। দ্বিতীয় স্বামী ও প্রথমপক্ষের দুই সন্তানকে নিয়ে দৌলতদিয়াড়ে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। বৃহস্পতিবার রাতে এক সন্তান প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার জন্য মাকে ডাকতে যায়। এসময় ঘরে মাকে না পেয়ে তার বাবাকে ডাকে। পরে বারান্দায় হামিদা ওরফে সুবর্ণা আক্তার রিয়া ঝুলন্ত অবস্থা দেখতে পাই। সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মরদেহ উদ্ধার করে। তবে কি কারণে আত্মহত্যা করেছে এটা জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

অপরদিকে, জুবায়ের হোসেনের মৃতদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতকারী কর্মকর্তা নাটুদহ পুলিশ ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সোহরাব হোসেন রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে নিজ ঘরের রডের সাথে রশি পেচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন, চিকিৎসাও নিচ্ছিলেন। একসময় সুস্থ হতেন আবারও অসুস্থ হয়ে পড়তেন। এ কারণে আত্মহত্যা করতে পারে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এছাড়া তিনি বাড়িতেই একটি মুদিখানা দোকান পরিচালনা করতেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসলে বিস্তারিত জানা যাবে এটা আত্মহত্যা কিনা।