০৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় দীর্ঘ ১৮ বছর পর প্রকাশ্যে সমাবেশ করল জামায়াত : হাজারো নেতাকর্মীদের ঢল

Ada. Munna Telecom1

চুয়াডাঙ্গায় বিপ্লবী ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট স্বৈরশাসকের পতন এবং গণতন্ত্রের দ্বার উন্মোচিত হওয়ায় শোকরানা সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখা।

শনিবার (১০ আগস্ট) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা চত্বরে দীর্ঘ ১৮ বছর পর প্রকাশ্যে কোন পুলিশি বাধা ছাড়ায় চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াত বিশাল সমাবেশ করেন। সমাবেশে হাজার হাজার নেতা-কর্মীর ঢল নামে। প্রকাশ্যে সমাবেশ করতে পেরে জামায়াতের নেতাকর্মীরা উচ্ছ্বসিত।

এর আগে সর্বশেষ গত বছর ৩০ জুলাই চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপারের কাছে সমাবেশের অনুমতি চেয়েছিলো জেলা জামায়াত। তখন শহরের শহীদ হাসান তাদেরকে সেই অনুমতি দেয়া হয়। কিছু গণমাধ্যমে সেই সংবাদ প্রকাশিত হলে কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মীকে হেনস্তা ও নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। সেই জামায়াত ইসলামী কোন আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের ছাড়াই দীর্ঘ ১৮ বছর পর চুয়াডাঙ্গা শহরের বুকে বিশাল সমাবেশ করলো।

সমাবেশ ঘিরে চুয়াডাঙ্গা শহরের প্রাণকেন্দ্র শহীদ হাসান চত্বরে অল্প সময়ের জন্য লোকেলোকারণ্য হয়ে ওঠে। কানায় কানায় পূর্ণ হয় বড় বাজার শহীদ হাসান চতুর মুক্ত মঞ্চ।

বিশাল এ সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চুয়াডাঙ্গা জেলা নায়েবে আমির সাবেক দামুড়হুদা উপজেলা চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জামায়াত ইসলামীর জেলা আমির মো. রুহুল আমীন।

এর আগে শোকরানা সমাবেশের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে পাঠ করেন জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মহিউদ্দীন। এরপর দীর্ঘদিন পর চুয়াডাঙ্গার মাটিতে সজোরে মাইকে জামায়াতের দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। দলীয় সঙ্গীত পরিবেশেনা করেন মাসুম বিল্লাহ ও তার দল।

প্রধান অতিথি জেলা আমির মো. রুহুল আমীন তার বক্তব্যে বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছর পর আমরা শহীদ হাসান চত্বরে কথা বলার সুযোগ পেলাম। শেখ হাসিনার সরকার আমাদের এবং সকল সাধারণ জনতার সঠিক কথা বলার অধিকার হরণ করেছিলেন। সেই অধিকার এবং এ দেশকে আরও একবার স্বাধীন করে দিল এদেশের ছাত্রসমাজ। তারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে স্বৈরাচার হাসিনার পতন ঘটিয়েছে। এজন্য তাদেরকে অভিনন্দন এবং সকল নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

জেলা আমির মো. রুহুল আমীন বলেন, আওয়ামীলীগ আমাদের স্বাধীনতাকে তারা হনন করেছিলেন। আমাদের ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ করেছিলেন। আমাদের চাকরি বন্ধ করেছিলেন। আওয়ামীলীগ বলে তারা স্বাধীনতা এনেছে। আমরা বলি বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষ স্বাধীনতা এনেছিলেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর বিডিআর বিদ্রোহের নামে ৫৭ জন আর্মি অফিসারকে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূর্যকে নিভিয়ে দিয়েছেন।

জেলা আমির মো. রুহুল আমীন বলেন, আওয়ামী লীগের সরকার বলে জামায়াতে ইসলামীরা এদেশের সংখ্যা লঘুদের জান-মালের ক্ষতি করে। আপনার শুনে রাখুন বিগত ১৮ বছর আপনার সরকারের শাসনামলেই সংখ্যালঘুরা সব থেকে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আপনার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে নিজেরাই এদেশে সংখালঘুদের ওপর হামলা, মামলা তাদের সম্পদ লুট এমনকি জমাজমি বাড়ি ঘরও দখল করেছেন। দোষ চাপিয়েছেন শিবিরের ঘাড়ে। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা জামায়াতে ইসলামীর কাছে আমানত।

জেলা আমির মো. রুহুল আমীন বলেন, বাংলাদেশের যতগুলো মন্দিরে আক্রমন হয়েছে, তদন্ত করে দেখা গেছে সবগুলোর পিছনে আওয়ামীলীগ দায়ী। বাংলাদেশের সংখ্যালঘু মানুষের যতো সম্পদ লুণ্ঠন হয়েছে, তার পিছনে এই আওয়ামীলীগই দায়ী। আজকে জামায়াত ইসলাম, বিএনপি, ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা প্রত্যেকটা মন্দিরে পাহারা বসিয়েছেন।

শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে জেলা আমির মো. রুহুল আমীন বলেন, আপনার পতনের পর যারা উল্লাস করে সারাদেশে লুটপাট করেছে তারা জামায়াতে ইসলামীর সদস্য নয়। তারা লুটেরা যখন লুট করছে তখন জামায়াতে ইসলামীর সদস্যরা তখন এদেশের হিন্দুদের মন্দির পাহারা দিচ্ছে।

জেলা আমির মো. রুহুল আমীন বলেন, আমরা বলতে চাই, বাংলাদেশের প্রত্যেকটা ইঞ্চি আমাদের জন্য আলামত। সংখ্যালঘু মানুষ, বাংলাদেশের ব্যাংক বিমা আমাদের জন্য আমানত। বাংলাদেশে মুসলিমদের কাছেই সংখ্যালঘুরা নিরাপদ আওয়ামী লীগের কাছে নয়।

জামায়াতের আমির রুহুল আমীন নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দেন আজ থেকে সংখ্যালঘু ভাইদের কাছে যেয়ে তাদের পাশে দাঁড়ান তাদের কোনো ক্ষতি কেউ করতে চাইলে বা হুমকি দিলে আমরা কঠোরহস্তে দমন করবো। বাংলাদেশের স্থাপনা আমাদের জন্য আমানত। এই আমানতকে কেউ যদি নস্যাৎ করতে চাই, তার বিরুদ্ধে জামায়াত এবং ছাত্র শিবির প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

জেলা আমির মো. রুহুল আমীন আরও বলেন, জামায়াত এদেশে নিরাপত্তা, সুশিক্ষা দিতে চাই। জামায়াত আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠাতা করতে চাই। আপনাদের কাছে কেউ চাঁদা চাইলে আমাদের কাছে জানাবেন। যারা বসন্তের কোকিল হয়ে রাজনীতি দিয়ে আখের গোছাতে চাই, তাদের থেকে দূরে থাকবেন।

জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানের সঞ্চলনায় বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক জেলা আমির আনোয়ারুল হক মালিক, জেলা সহকারী সেক্রেটারি অ্যাড: মাসুদ পারভেজ রাসেল, জেলা সহকারী সেক্রেটারি আবদুল কাদের, ইবির সাবেক শিবির সভাপতি আসাদুল্লাহ, চুয়াডাঙ্গা জেলা ইসলামী ছাত্র শিবিরের সভাপতি মো. মহসিন এমদাদ, অ্যাড. মোসলেম উদ্দীন, আব্দুর রউফ, কামাল উদ্দিন ও হাফিজুর রহমানসহ আরও আনেকে বক্তব্য রাখেন। অন্যান্যের মধ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা আমির মো. বেলাল হোসেন, আলমডাঙ্গা পৌর আমির মো. মাহের আলী, চুয়াডাঙ্গা পৌর আমির অ্যাড. হাসিবুল ইসলাম, দর্শনা থানা আমির মাওলানা রেজাউল করিম, জিএ থানা আমির মো. আব্বাস উদ্দীন, জীবননগর উপজেলা আমির মাওলানা সাজেদুর রহমান, দামুড়হুদা উপজেলা আমির মো. নায়েব আলী ও আলমডাঙ্গা উপজেলা আমির মো. দারুস সালাম।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

জীবননগরের পিংকি হ ত্যা মামলার আসামি নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার

চুয়াডাঙ্গায় দীর্ঘ ১৮ বছর পর প্রকাশ্যে সমাবেশ করল জামায়াত : হাজারো নেতাকর্মীদের ঢল

প্রকাশের সময় : ১০:৩১:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অগাস্ট ২০২৪

চুয়াডাঙ্গায় বিপ্লবী ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট স্বৈরশাসকের পতন এবং গণতন্ত্রের দ্বার উন্মোচিত হওয়ায় শোকরানা সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখা।

শনিবার (১০ আগস্ট) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা চত্বরে দীর্ঘ ১৮ বছর পর প্রকাশ্যে কোন পুলিশি বাধা ছাড়ায় চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াত বিশাল সমাবেশ করেন। সমাবেশে হাজার হাজার নেতা-কর্মীর ঢল নামে। প্রকাশ্যে সমাবেশ করতে পেরে জামায়াতের নেতাকর্মীরা উচ্ছ্বসিত।

এর আগে সর্বশেষ গত বছর ৩০ জুলাই চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপারের কাছে সমাবেশের অনুমতি চেয়েছিলো জেলা জামায়াত। তখন শহরের শহীদ হাসান তাদেরকে সেই অনুমতি দেয়া হয়। কিছু গণমাধ্যমে সেই সংবাদ প্রকাশিত হলে কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মীকে হেনস্তা ও নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। সেই জামায়াত ইসলামী কোন আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের ছাড়াই দীর্ঘ ১৮ বছর পর চুয়াডাঙ্গা শহরের বুকে বিশাল সমাবেশ করলো।

সমাবেশ ঘিরে চুয়াডাঙ্গা শহরের প্রাণকেন্দ্র শহীদ হাসান চত্বরে অল্প সময়ের জন্য লোকেলোকারণ্য হয়ে ওঠে। কানায় কানায় পূর্ণ হয় বড় বাজার শহীদ হাসান চতুর মুক্ত মঞ্চ।

বিশাল এ সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চুয়াডাঙ্গা জেলা নায়েবে আমির সাবেক দামুড়হুদা উপজেলা চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জামায়াত ইসলামীর জেলা আমির মো. রুহুল আমীন।

এর আগে শোকরানা সমাবেশের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে পাঠ করেন জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মহিউদ্দীন। এরপর দীর্ঘদিন পর চুয়াডাঙ্গার মাটিতে সজোরে মাইকে জামায়াতের দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। দলীয় সঙ্গীত পরিবেশেনা করেন মাসুম বিল্লাহ ও তার দল।

প্রধান অতিথি জেলা আমির মো. রুহুল আমীন তার বক্তব্যে বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছর পর আমরা শহীদ হাসান চত্বরে কথা বলার সুযোগ পেলাম। শেখ হাসিনার সরকার আমাদের এবং সকল সাধারণ জনতার সঠিক কথা বলার অধিকার হরণ করেছিলেন। সেই অধিকার এবং এ দেশকে আরও একবার স্বাধীন করে দিল এদেশের ছাত্রসমাজ। তারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে স্বৈরাচার হাসিনার পতন ঘটিয়েছে। এজন্য তাদেরকে অভিনন্দন এবং সকল নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

জেলা আমির মো. রুহুল আমীন বলেন, আওয়ামীলীগ আমাদের স্বাধীনতাকে তারা হনন করেছিলেন। আমাদের ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ করেছিলেন। আমাদের চাকরি বন্ধ করেছিলেন। আওয়ামীলীগ বলে তারা স্বাধীনতা এনেছে। আমরা বলি বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষ স্বাধীনতা এনেছিলেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর বিডিআর বিদ্রোহের নামে ৫৭ জন আর্মি অফিসারকে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূর্যকে নিভিয়ে দিয়েছেন।

জেলা আমির মো. রুহুল আমীন বলেন, আওয়ামী লীগের সরকার বলে জামায়াতে ইসলামীরা এদেশের সংখ্যা লঘুদের জান-মালের ক্ষতি করে। আপনার শুনে রাখুন বিগত ১৮ বছর আপনার সরকারের শাসনামলেই সংখ্যালঘুরা সব থেকে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আপনার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে নিজেরাই এদেশে সংখালঘুদের ওপর হামলা, মামলা তাদের সম্পদ লুট এমনকি জমাজমি বাড়ি ঘরও দখল করেছেন। দোষ চাপিয়েছেন শিবিরের ঘাড়ে। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা জামায়াতে ইসলামীর কাছে আমানত।

জেলা আমির মো. রুহুল আমীন বলেন, বাংলাদেশের যতগুলো মন্দিরে আক্রমন হয়েছে, তদন্ত করে দেখা গেছে সবগুলোর পিছনে আওয়ামীলীগ দায়ী। বাংলাদেশের সংখ্যালঘু মানুষের যতো সম্পদ লুণ্ঠন হয়েছে, তার পিছনে এই আওয়ামীলীগই দায়ী। আজকে জামায়াত ইসলাম, বিএনপি, ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা প্রত্যেকটা মন্দিরে পাহারা বসিয়েছেন।

শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে জেলা আমির মো. রুহুল আমীন বলেন, আপনার পতনের পর যারা উল্লাস করে সারাদেশে লুটপাট করেছে তারা জামায়াতে ইসলামীর সদস্য নয়। তারা লুটেরা যখন লুট করছে তখন জামায়াতে ইসলামীর সদস্যরা তখন এদেশের হিন্দুদের মন্দির পাহারা দিচ্ছে।

জেলা আমির মো. রুহুল আমীন বলেন, আমরা বলতে চাই, বাংলাদেশের প্রত্যেকটা ইঞ্চি আমাদের জন্য আলামত। সংখ্যালঘু মানুষ, বাংলাদেশের ব্যাংক বিমা আমাদের জন্য আমানত। বাংলাদেশে মুসলিমদের কাছেই সংখ্যালঘুরা নিরাপদ আওয়ামী লীগের কাছে নয়।

জামায়াতের আমির রুহুল আমীন নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দেন আজ থেকে সংখ্যালঘু ভাইদের কাছে যেয়ে তাদের পাশে দাঁড়ান তাদের কোনো ক্ষতি কেউ করতে চাইলে বা হুমকি দিলে আমরা কঠোরহস্তে দমন করবো। বাংলাদেশের স্থাপনা আমাদের জন্য আমানত। এই আমানতকে কেউ যদি নস্যাৎ করতে চাই, তার বিরুদ্ধে জামায়াত এবং ছাত্র শিবির প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

জেলা আমির মো. রুহুল আমীন আরও বলেন, জামায়াত এদেশে নিরাপত্তা, সুশিক্ষা দিতে চাই। জামায়াত আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠাতা করতে চাই। আপনাদের কাছে কেউ চাঁদা চাইলে আমাদের কাছে জানাবেন। যারা বসন্তের কোকিল হয়ে রাজনীতি দিয়ে আখের গোছাতে চাই, তাদের থেকে দূরে থাকবেন।

জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানের সঞ্চলনায় বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক জেলা আমির আনোয়ারুল হক মালিক, জেলা সহকারী সেক্রেটারি অ্যাড: মাসুদ পারভেজ রাসেল, জেলা সহকারী সেক্রেটারি আবদুল কাদের, ইবির সাবেক শিবির সভাপতি আসাদুল্লাহ, চুয়াডাঙ্গা জেলা ইসলামী ছাত্র শিবিরের সভাপতি মো. মহসিন এমদাদ, অ্যাড. মোসলেম উদ্দীন, আব্দুর রউফ, কামাল উদ্দিন ও হাফিজুর রহমানসহ আরও আনেকে বক্তব্য রাখেন। অন্যান্যের মধ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা আমির মো. বেলাল হোসেন, আলমডাঙ্গা পৌর আমির মো. মাহের আলী, চুয়াডাঙ্গা পৌর আমির অ্যাড. হাসিবুল ইসলাম, দর্শনা থানা আমির মাওলানা রেজাউল করিম, জিএ থানা আমির মো. আব্বাস উদ্দীন, জীবননগর উপজেলা আমির মাওলানা সাজেদুর রহমান, দামুড়হুদা উপজেলা আমির মো. নায়েব আলী ও আলমডাঙ্গা উপজেলা আমির মো. দারুস সালাম।