০২:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভিডিও : চুয়াডাঙ্গায় চিকিৎসা নিয়ে এসে দিনেদুপুরে নারীর স্বর্ণের দুল ছিনতাই

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন সাবিনা খাতুন নামের এক মধ্যবয়সী নারী।

আজ রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) অনুমানিক বেলা সাড়ে ১২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার পাশে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী নারী সাবিনা আলমডাঙ্গা উপজেলার ঘোলদাড়ি গ্রামের বাসিন্দা।

সাবিনা খাতুন অভিযোগ করে রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, মাজার ব্যাথা নিয়ে আজ সকালে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে এসেছিলাম। এ সময় একজন নারী আমাকে হাসপাতালের পুরনো ভবনে নিয়ে যান। এরপর বিভিন্ন কথা বলে আমাকে নিয়ে আসেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার পাশে। সেখানে প্রলোভন দেখিয়ে আমার কানের স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নেন এই নারী। পরে আমি জ্ঞান হারানোর অবস্থা হলে স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

আরও পড়ুন

হাসপাতাল চত্বরে কাঁদতে কাঁদতে সাবিনা খাতুন বলেন, এই অবস্থার বাড়ীতে গেলে আমার পুত্রবধু আমাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেবেন। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েন তিনি।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, এমন কোন ঘটনা আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আলমডাঙ্গায় সংবাদ সম্মেলনে মাদক ছাড়ার অঙ্গীকারের কয়েক মাস পর আবারো মাদকসহ গ্রেপ্তার মা-মেয়ে

ভিডিও : চুয়াডাঙ্গায় চিকিৎসা নিয়ে এসে দিনেদুপুরে নারীর স্বর্ণের দুল ছিনতাই

প্রকাশের সময় : ০২:২৫:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন সাবিনা খাতুন নামের এক মধ্যবয়সী নারী।

আজ রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) অনুমানিক বেলা সাড়ে ১২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার পাশে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী নারী সাবিনা আলমডাঙ্গা উপজেলার ঘোলদাড়ি গ্রামের বাসিন্দা।

সাবিনা খাতুন অভিযোগ করে রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, মাজার ব্যাথা নিয়ে আজ সকালে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে এসেছিলাম। এ সময় একজন নারী আমাকে হাসপাতালের পুরনো ভবনে নিয়ে যান। এরপর বিভিন্ন কথা বলে আমাকে নিয়ে আসেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার পাশে। সেখানে প্রলোভন দেখিয়ে আমার কানের স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নেন এই নারী। পরে আমি জ্ঞান হারানোর অবস্থা হলে স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

আরও পড়ুন

হাসপাতাল চত্বরে কাঁদতে কাঁদতে সাবিনা খাতুন বলেন, এই অবস্থার বাড়ীতে গেলে আমার পুত্রবধু আমাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেবেন। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েন তিনি।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, এমন কোন ঘটনা আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।