এলাকায় মাদক কারবারিদের প্রতিহত করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গাইদঘাট গ্রামের দুই ব্যক্তি। ধারালো অস্ত্র, লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধ হামলায় তাঁরা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে গ্রামের দক্ষিণপাড়া মাঠে এ ঘটনা ঘটে। হামলার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন গাইদঘাট দক্ষিণপাড়ার আব্দুর রহমানের ছেলে শাহীন এবং একই এলাকার মজিনুর রহমান কটার ছেলে সিদ্দিকুর রহমান সামাদ।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, দক্ষিণপাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবার নিয়ে অসন্তোষ বিরাজ করছে। এরই মধ্যে শনিবার রাতে স্থানীয় ৭-৮ জন ব্যক্তি এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারিদের ধরতে মাঠে যান। তাঁদের উপস্থিতি বুঝতে পেরে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সংঘবদ্ধ হয়ে ধারালো অস্ত্র, লাঠি ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিতে হামলা চালান। এতে শাহীন ও সামাদ গুরুতর আহত হন।
ঘটনার বিষয়ে গাইদঘাট দক্ষিণপাড়া পুরাতন জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা ইব্রাহিম খলিল বলেন, এলাকার সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে এলাকাকে মাদকমুক্ত রাখার চেষ্টা করছেন। শনিবার রাতে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি মাদক কারবারিদের ধরতে মাঠে গেলে কারবারি ও তাঁদের নিকটাত্মীয়রা একজোট হয়ে হামলা করেন। এতে দুজন গুরুতর আহত হন।
মাওলানা ইব্রাহিম খলিলের অভিযোগ, হামলায় গাইদঘাট দক্ষিণপাড়ার হাবিব, জালাল, জাহিদুল, আশিক, সান, ফরজ আলী, আসিফ, আলিফ ও রাসেল ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে অংশ নেন। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
এদিকে, আহতদের দেখতে রোববার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে যান চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল। এ সময় তিনি তাঁদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসার বিষয়ে কথা বলেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামীদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সুত্র – দৈনিক আজকের চুয়াডাঙ্গা
এএইচ
রেডিও চুয়াডাঙ্গা ডেস্ক 













