০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলমডাঙ্গায় স্মার্টফোন কিনে না দেয়ায় অভিমানে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীর আত্মহত্যা

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার পারকুলা গ্রামে বাবা-মায়ের উপর অভিমান করে সামিয়া খাতুন (১৪) নামের এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে।

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২ দিকে নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌছে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত সামিয়া খাতুন উপজেলার কালিদাসপুর ইউনিয়নের পারকুলা গ্রামের কারিগরপাড়ার আলমসাধু চালক সাইদুল ইসলামের মেয়ে। সে পাইকপাড়া জনকল্যাণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। দুই ভাই-বোনের মধ্যে সামিয়া ছিল বড়।

সামিয়ার বাবা সাইদুল ইসলাম রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, আলমসাধু চালিয়ে কোন রকম টেনেটুনে সংসার চলছে। আর এই সময় মেয়েটা আমার স্মার্টফোনের বাইনা শুরু করে। আমার এই মুহুর্তে স্মার্টফোন কিনে দেয়ার মত সামর্থ্য নেই জানালেও মেয়েটা শোনেনি। আর এখন মোবাইল কিনে দিলে তার পড়াশোনারও ব্যাঘাত ঘটবে। এ নিয়ে আমার আর তার মায়ের সঙ্গে মনোমালিন্য হয়। এরই জের ধরে মেয়েটা অভিমান করে আমাদের ছেড়ে চলে গেল বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তিনি।

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) শেখ গণি মিয়া বলেন, অভিযোগ না থাকায় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাজাপ্রাপ্ত কয়েদির মৃত্যু

আলমডাঙ্গায় স্মার্টফোন কিনে না দেয়ায় অভিমানে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীর আত্মহত্যা

প্রকাশের সময় : ১২:২২:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার পারকুলা গ্রামে বাবা-মায়ের উপর অভিমান করে সামিয়া খাতুন (১৪) নামের এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে।

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২ দিকে নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌছে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত সামিয়া খাতুন উপজেলার কালিদাসপুর ইউনিয়নের পারকুলা গ্রামের কারিগরপাড়ার আলমসাধু চালক সাইদুল ইসলামের মেয়ে। সে পাইকপাড়া জনকল্যাণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। দুই ভাই-বোনের মধ্যে সামিয়া ছিল বড়।

সামিয়ার বাবা সাইদুল ইসলাম রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, আলমসাধু চালিয়ে কোন রকম টেনেটুনে সংসার চলছে। আর এই সময় মেয়েটা আমার স্মার্টফোনের বাইনা শুরু করে। আমার এই মুহুর্তে স্মার্টফোন কিনে দেয়ার মত সামর্থ্য নেই জানালেও মেয়েটা শোনেনি। আর এখন মোবাইল কিনে দিলে তার পড়াশোনারও ব্যাঘাত ঘটবে। এ নিয়ে আমার আর তার মায়ের সঙ্গে মনোমালিন্য হয়। এরই জের ধরে মেয়েটা অভিমান করে আমাদের ছেড়ে চলে গেল বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তিনি।

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) শেখ গণি মিয়া বলেন, অভিযোগ না থাকায় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে।