১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাজাপ্রাপ্ত কয়েদির মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি আনোয়ার হোসেন (৬৪) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। তিনি মারামারির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে ছিলেন। আনোয়ার হোসেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র স্কুলপাড়া এলাকার মৃত আমিরুল ইসলামের ছেলে। তিনি স্থানীয় বিএনপির একজন প্রবীণ নেতা ছিলেন।

চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারের জেলার (চলতি দায়িত্ব) শাখাওয়াত হোসেন জানান, মারামারির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে আনোয়ার হোসেন কয়েদি হিসেবে কারাগারে ছিলেন। তিনি হৃদ্‌রোগসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গত ১৭ অক্টোবর থেকে তিনি কারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বুধবার রাত ১১টা ৫ মিনিটে তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।

কারা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে জি আর মামলা নম্বর ৭০৪/১৯ এবং টি আর মামলা নম্বর ৯৬/২০-এর অধীনে দণ্ডবিধির ৩২৪ ধারায় সাজা হয়েছিল। তার সাজা ছিল দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা। জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের বিধান ছিল। গত ৩০ সেপ্টেম্বর তিনি কারাগারে আসেন।

মৃত্যুসনদে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে হার্ট অ্যাটাক বা তীব্র হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যা উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি ডায়াবেটিস, হাপানি ও উচ্চ রক্তচাপে ভুগছিলেন বলে জানানো হয়েছে।

জেলার শাখাওয়াত হোসেন আরও জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। বিধি অনুযায়ী সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এএইচ

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাজাপ্রাপ্ত কয়েদির মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাজাপ্রাপ্ত কয়েদির মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ১১:৪৩:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি আনোয়ার হোসেন (৬৪) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। তিনি মারামারির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে ছিলেন। আনোয়ার হোসেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র স্কুলপাড়া এলাকার মৃত আমিরুল ইসলামের ছেলে। তিনি স্থানীয় বিএনপির একজন প্রবীণ নেতা ছিলেন।

চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারের জেলার (চলতি দায়িত্ব) শাখাওয়াত হোসেন জানান, মারামারির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে আনোয়ার হোসেন কয়েদি হিসেবে কারাগারে ছিলেন। তিনি হৃদ্‌রোগসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গত ১৭ অক্টোবর থেকে তিনি কারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বুধবার রাত ১১টা ৫ মিনিটে তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।

কারা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে জি আর মামলা নম্বর ৭০৪/১৯ এবং টি আর মামলা নম্বর ৯৬/২০-এর অধীনে দণ্ডবিধির ৩২৪ ধারায় সাজা হয়েছিল। তার সাজা ছিল দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা। জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের বিধান ছিল। গত ৩০ সেপ্টেম্বর তিনি কারাগারে আসেন।

মৃত্যুসনদে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে হার্ট অ্যাটাক বা তীব্র হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যা উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি ডায়াবেটিস, হাপানি ও উচ্চ রক্তচাপে ভুগছিলেন বলে জানানো হয়েছে।

জেলার শাখাওয়াত হোসেন আরও জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। বিধি অনুযায়ী সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এএইচ