প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়কে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তির দাবিতে চুয়াডাঙ্গায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (০২ জুলাই) সকাল ১০ টা থেকে বেলা ১১ টা পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন করা হয়।
এসময় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন থেকে জেলার ১৪টি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের পাঁচ শতাধিক শিক্ষক মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এসব শিক্ষক নিজেরা খেয়ে না খেয়ে সমাজের পিছিয়ে পড়া প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা ও নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন। অবিলম্বে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তির মাধ্যমে সমস্যা সমাধানেরও দাবি জানান তারা।
এরপর চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা ও সমাজ কল্যাণ উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি হাকিম মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক শিরিনা আক্তার, সহ-সভাপতি মো. মহিউদ্দিন বাবু, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মো. আহসান হাবীব, ও সহজ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত প্রতিবন্ধী বিশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ সমাজের পিছিয়ে পড়া প্রতিবন্ধী মিশুদের মূলস্রোতধারায় অন্তর্ভুক্ত করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পূনর্বাসণে এ বিদ্যালয়গুলোর অবদান অসামান্য।
কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত সরকারের বিশেষ কাঠামোর মধ্যে এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে আনতে ২০০১ সালে ও ২০১৯ সালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ‘বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা ’ প্রণয়ন করে। ২০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণায়লয় প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়সমূহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও এমপিও ভুক্তির প্রজ্ঞাপন জারি করে এবং অনলাইনে আবেদন গ্রহন শুরু করে। উক্ত প্রজ্ঞাপনের আওতায় দুই হাজার ৭৪১ টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করে। যার প্রাথমিক যাচাই-বাছাই করে এক হাজার ৭৭২টি বিদ্যালয়কে চূড়ান্তভাবে গ্রহণ করা হয়।
সুত্র : দৈনিক মাথাভাঙ্গা
এএইচ
রেডিও চুয়াডাঙ্গা ডেস্ক 























