চুয়াডাঙ্গা শহরে এক যুবককে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে নির্জন স্থানে আটকে রেখে মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অফিসের ৬৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুইজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ।
অভিযোগকারী মো. রেজোয়ানুর রহমান ফাহিম জানান, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে অফিসের কাজ শেষে চুয়াডাঙ্গা টেলিকম হাউজের হিসাব ও টাকা পরিশোধের উদ্দেশ্যে তিনি রওনা দেন। পথে শহরের এম এ করিম লেন এলাকায় পৌঁছালে হেলমেট পরা কয়েকজন ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক ধরে একটি গলির ভেতরে নিয়ে যায়।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, সেখান থেকে তাকে একটি মোটরসাইকেলে তুলে ঘোড়ামারা ব্রিজসংলগ্ন নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রায় দুই ঘণ্টা আটকে রেখে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। একপর্যায়ে জোরপূর্বক কয়েকটি ব্ল্যাংক স্ট্যাম্পে তার স্বাক্ষর নেওয়া হয়।
পরে অভিযুক্তরা তাকে শহরের পৌর কলেজ এলাকার কাছে মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে রেখে চলে যায়। পরে নিজের ব্যাগ পরীক্ষা করে তিনি দেখতে পান, অফিসের ৬৫ হাজার টাকা নেই। অভিযোগকারীর দাবি, অভিযুক্তরাই ওই টাকা নিয়ে গেছে।
ঘটনার পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে মেহেদী হাসান শিপলু ও সুমনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগকারী আরও জানান, অভিযুক্তদের মধ্যে দুজনের সঙ্গে তার পূর্ব থেকেই জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধ এবং আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
এদিকে, অভিযোগের পর অভিযুক্তদের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলের নম্বর শনাক্ত করা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও পর্যালোচনার কাজ চলছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সুত্র : দৈনিক মাথাভাঙ্গা
এএইচ
রেডিও চুয়াডাঙ্গা ডেস্ক 




















