০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গার গুলশানপাড়ার মাদক ব্যবসায়ী আসমাকে ২ বছরের কারাদণ্ড, তালিকাভুক্ত দিপুসহ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে চলছে অভিযান

চুয়াডাঙ্গা শহরের গুলশানপাড়া এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৪ পিস ইয়াবাসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। পরে বিশেষ সামারি কোর্টে হাজির করা হলে তাকে ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ শহরের গুলশানপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে। বিকেলে বিশেষ সামারি কোর্টের বিচারক লাভলী নাজনীন এ রায় প্রদান করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলার মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার একটি দল তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী দিপু ও তার স্ত্রী আসমা খাতুনের বাড়িতে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দিপু পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী আসমা খাতুনকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৪ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

পরে আটক আসমা খাতুনকে বিশেষ সামারি কোর্টে হাজির করা হলে বিচারক লাভলী নাজনীন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান বলেন, “চুয়াডাঙ্গা জেলাজুড়ে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। কোনো মাদক ব্যবসায়ী বা তাদের সহযোগীকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। গুলশানপাড়াসহ আশপাশের এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান চলছে। আসমা খাতুনকে আটক করা হয়েছে এবং পলাতক তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী দিপুকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “মাদক নির্মূলে পুলিশের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। জেলার কোথাও মাদক ব্যবসা, পরিবহন বা সেবনের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

পুলিশ জানিয়েছে, জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে।


এএইচ

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

‘সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে গণরায় ও সংস্কারের সঙ্গে তামাশা করা হয়েছে’

চুয়াডাঙ্গার গুলশানপাড়ার মাদক ব্যবসায়ী আসমাকে ২ বছরের কারাদণ্ড, তালিকাভুক্ত দিপুসহ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে চলছে অভিযান

প্রকাশের সময় : ০৮:০০:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা শহরের গুলশানপাড়া এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৪ পিস ইয়াবাসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। পরে বিশেষ সামারি কোর্টে হাজির করা হলে তাকে ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ শহরের গুলশানপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে। বিকেলে বিশেষ সামারি কোর্টের বিচারক লাভলী নাজনীন এ রায় প্রদান করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলার মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার একটি দল তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী দিপু ও তার স্ত্রী আসমা খাতুনের বাড়িতে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দিপু পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী আসমা খাতুনকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৪ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

পরে আটক আসমা খাতুনকে বিশেষ সামারি কোর্টে হাজির করা হলে বিচারক লাভলী নাজনীন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান বলেন, “চুয়াডাঙ্গা জেলাজুড়ে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। কোনো মাদক ব্যবসায়ী বা তাদের সহযোগীকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। গুলশানপাড়াসহ আশপাশের এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান চলছে। আসমা খাতুনকে আটক করা হয়েছে এবং পলাতক তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী দিপুকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “মাদক নির্মূলে পুলিশের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। জেলার কোথাও মাদক ব্যবসা, পরিবহন বা সেবনের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

পুলিশ জানিয়েছে, জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে।


এএইচ