গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে চুয়াডাঙ্গায় বিক্ষোভ র্যালি ও স্মারকলিপি পেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
রবিবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা টাউন ফুটবল মাঠ থেকে একটি বিশাল মোটরসাইকেল র্যালি বের হয়ে শহীদ হাসান চত্বর ঘুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পৌঁছে। সেখানে প্রধান উপদেষ্টার বরাবর ৫ দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। পরে র্যালিটি পুনরায় টাউন মাঠে এসে শেষ হয়।
র্যালি ও স্মারকলিপি প্রদানের নেতৃত্ব দেন জেলা আমীর ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. রুহুল আমিন। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা আজিজুর রহমান, জেলা সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান, জেলা সহকারী সেক্রেটারি ও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল, আব্দুল কাদেরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

স্মারকলিপি হস্তান্তরের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জেলা আমীর রুহুল আমিন বলেন, “আমাদের ৫ দফা দাবি দেশের গণতন্ত্র রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই দাবিগুলো পূরণ না হলে আবারও গণআন্দোলনের সূচনা হবে।” তিনি বলেন, দেশের জনগণ এখন ফ্যাসিবাদ নয়, একটি সুশৃঙ্খল, শান্তিময় ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ চায়। তাই অন্তর্বর্তী সরকার গঠন ও ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় সংসদে পি.আর পদ্ধতি (Proportional Representation) চালু হলে কোনো এমপি বা মন্ত্রী বিক্রি হবে না, কেউ দস্যুতা করতে পারবে না এবং গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি যারা গণহত্যা চালিয়েছে তাদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে ও নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে বলেও তিনি দাবি জানান।
স্মারকলিপিতে জামায়াতের পক্ষ থেকে উত্থাপিত পাঁচ দফা দাবি হলো, অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন, সংসদে পি.আর পদ্ধতি চালু, গণহত্যার দায়ীদের বিচার ও নিষিদ্ধ ঘোষণা, জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া।
র্যালি শেষে টাউন ফুটবল মাঠে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, “এই দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলনের কর্মসূচি আরও জোরদার হবে।”
অনুষ্ঠানে জেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন উপজেলা, থানা ও অঙ্গসংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এএইচ
নিজস্ব প্রতিবেদন 




















