০১:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শুক্রবার মাঠে নামবে দুই পরাশক্তি স্পেন বনাম জার্মানি

স্পেনের সাথে ৩ যুগের অপেক্ষা ফুরাতে চায় জার্মানি। ১৯৮৮ সালের পর কোনো টুর্নামেন্টে স্পেনকে হারাতে পারেনি জার্মানি। ভুলে যাওয়া সেই স্বাদ ফিরে পেতে মরিয়া এবারের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের স্বাগতিকেরা। আসরের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে প্রতিযোগিতার সবচেয়ে সফল দল স্পেনের মুখোমুখি হবে ইউলিয়ান নাগেলসমানের দল।

ইউরোপের দুই ফুটবল পরাশক্তি চতুর্থবারের মত মহাদেশীয় এই টুর্নামেন্টের শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত ১০টায়।

একে অপরকে ছাড়িয়ে যেতে হলে নিজেদের সেরাটা দেবার বিকল্প নেই। ঘরের মাঠে জার্মানি বাড়তি সুবিধা পাবে, এটা মানতে নারাজ এখনো পর্যন্ত পয়েন্ট না হারানো স্পেন। বহুল প্রতিক্ষিত এই ম্যাচটির দিকে চোখ থাকবে পুরো ফুটবল বিশ্বের। এই ম্যাচে জয়ী দল সেমিফাইনালে পর্তুগাল বনাম ফ্রান্সের মধ্যকার বিজয়ী দলের মোকাবেলা করবে।

২০০৮ সালের পর প্রথমবারের মত ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে তিনটি গ্রুপ ম্যাচেই জয়ী স্পেন একমাত্র দল হিসেবে শতভাগ জয়ের রেকর্ড নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকেট নিশ্চিত করে। রোববার শেষ ষোলর ম্যাচে তারা জর্জিয়াকে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে উঠেছে। এ নিয়ে প্রতিযোগিতাটিতে টানা ১০ ম্যাচে জয়ের ধারা ধরে রেখেছে স্পেন।

লুইস ডি লা ফুয়েন্তের তারুণ্যনির্ভর সাহসী দল আত্মবিশ্বাসী মনোভাব নিয়েই জার্মানির বিপক্ষে মাঠে নামতে যাচ্ছে। শেষ পাঁচটি ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে এই প্রথম তারা শেষ আটের টিকেট পেয়েছে। এমনকি জার্মানির জসুয়া কিমিচ স্বীকার করেছে এবারের টুর্নামেন্টে সবচেয়ে আকর্ষনীয় দল হলো স্পেন।

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে অষ্টম স্থানে থাকা স্পেন ১৯৮৮ সালের পর জার্মানির বিপক্ষে শেষ ছয়টি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচের একটিতেও পরাজিত হয়নি। ছয়টি ম্যাচের তিনটিতে জয় ও তিনটি ড্র হয়েছে। অতি সম্প্রতি ২০২২ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে এই দুই দলের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল।

লা রোজারা ২০০৮ ইউরোর ফাইনালে জার্মানিকে ১-০ গোলে পরাজিত করে শিরোপা জয়ের ম্যাচটি নিঃসন্দেহে পুনরাবৃত্তি করতে চাইবে। ফার্নান্দো তোরেস জয়সূচক গোলটি করেছিলেন। এছাড়া ২০২০ সালের নভেম্বরে উয়েফা নেশন্স লিগে জার্মানিকে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল স্পেন। এই ম্যাচে আরেক তোরেস, ফেরান তোরেস করেছিলেন স্মরণীয় হ্যাটট্রিক।

তবে স্পেনের একটি বিস্ময়কর রেকর্ড রয়েছে। ইউরো কিংবা বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে কখনই তারা স্বাগতিক দেশকে হারাতে পারেনি। ১৯৩৪ সালের পর থেকে এমন নয়টি ম্যাচেই প্রতিটিতেই তারা পরাজিত হয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে।

১৯৯৬ সালের পর প্রথম প্রতিযোগিতাটিতে জয়ের পথে ভালভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে স্বাগতিক জার্মানি। শনিবার শেষ ষোলর ম্যাচে তারা ডেনমার্ককে ২-০ গোলে পরাজিত করে আত্মবিশ্বাস নিয়ে স্পেনের মোকাবেলা করতে যাচ্ছে। নক আউট পর্বে ডেনমার্কের বিপক্ষে জার্মানির ম্যাচটি ছিল নাটকীয়তায় ভরা। প্রচণ্ড বৃষ্টির কারণে প্রায় আধা ঘন্টা ম্যাচ বন্ধ ছিল। এরপর ভিএআর বিতর্ক ম্যাচের গতি নষ্ট করেছে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে কেই হাভার্টজ ও জামাল মুসিয়ালার গোলে জার্মানীর জয় নিশ্চিত হয়। মুসিয়ালা এ পর্যন্ত তিন গোল করে ইউরোর সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন।

ডর্টমুন্ডের ম্যাচের পর জার্মান কোচ ইউলিয়ান নাগলসমানের দাবী, তার দলের খেলোয়াড়রা নিজেদের প্রমান করতে শুরু করেছে। ২০১৬ সালের পর প্রথমবারের মত বড় কোন টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার সুযোগ তারা হাতছাড়া করতে চায়না। বিশ্বকাপে ১৪ বার ও ইউরোতে পাঁচবার মিলিয়ে সর্বমোট ১৯তম কোয়ার্টার ফাইনাল খেলতে মাঠে নামবে জার্মানি। বৈশ্বিক এই দুটি বড় টুর্নামেন্টে আর কোন দল এতবার শেষ আটে খেলেনি।

ইউরো ২০২৪’এ সবচেয়ে বেশী গোল (১০), সবচেয়ে বেশী আক্রমন (২৬৫), গোলের সবচেয়ে বেশী শট (৭১), গড়ে সর্বোচ্চ পজিশন (৬২%) নিয়ে শেষ আটে খেলতে এসেছে জার্মানরা। তার উপর তাদের সাথে রয়েছে উচ্ছসিত স্বাগতিক সমর্থক। সব মিলিয়ে নিজেদের এগিয়ে নিয়ে যাবার সব ক্ষেত্রই প্রস্তুত আছে ডাই ম্যানশাফদের। এখন শুধু মাঠে নিজেদের প্রমানের অপেক্ষা।

নাগলসমান যুগ শুরু হবার আগে ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৬তম স্থানে থাকা দলটি ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে নিয়েছে। র‌্যাঙ্কিংয়ে এত নীচে আর আগে কখনই জার্মানরা নামেনি। সব ধরনের প্রতিযোগিতায় স্পেনের বিপক্ষে শেষ ১১টি লড়াইয়ে মাত্র দুটিতে জয়ী হয়েছে জার্মানি। ২০১৪ সালে ৮৯ মিনিটে টনি ক্রুসের গোলে প্রীতি ম্যাচে সর্বশেষ জয়টি এসেছিল।

ঘরের মাঠে শেষ আট ম্যাচে অবশ্য লা রোজাদের বিপক্ষে অপরাজিত রয়েছে জার্মানরা। এর মধ্যে পাঁচটিতে জয়ী ও তিনটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। প্রতিযোগিতাটির কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে এখনো কোন স্বাগতিক দল বিদায় নেয়নি।

শুক্রবারের ম্যাচে স্প্যানিশ বস ডি লা ফুয়েন্তে অপরিবর্তিত দল নিয়ে মাঠে নামার ইঙ্গিত দিয়েছেন। ১৬ বছর বয়সী লামিন ইয়ামাল ও এ্যাথলেটিকো বিলবাও নিকো উইলিয়ামস তিন জনের আক্রমনভাগে অধিনায়ক আলভারো মোরাতার সঙ্গী হবে। সেন্ট্রাল মিডফিল্ডে পেড্রিকে ছাড়িয়ে ওলমো ও মিকেল মেরিনোর খেলার সম্ভাবনাই বেশী। তবে মূল একাদশে রড্রি ও ফাবিয়ান রুইজের সাথে পেড্রিও খেলতে পারেন। পায়ের ইনজুরি কাটিয়ে নাচো ফার্নান্দেজের দলে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। তাকে জায়গা দিতে সেন্ট্রাল ডিফেন্সে লি নরমান্ড অথবা অমারিক লাপোর্তের মধ্যে একজন বদলী বেঞ্চে চলে যাবেন। ফুল-ব্যাক হিসেবে মাঠে নামবেন ডানি কারভাহাল ও মার্ক কুকুরেলা।

অন্যদিকে সেন্টার-ব্যাক জোনাথান টাহ নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে জার্মান দলে ফিরছেন। ডেনমার্কের বিরুদ্ধে বাদ পড়েছিলেন লেফট-ব্যাক ম্যাক্সিমিলিয়ান মিটেলস্টাডে। কিন্তু ডেভিড রমকে ছাড়িয়ে তারই মূল দলে ফেরার সম্ভাবনা বেশী। আক্রমনভাগে লেরয় সানের পরিবর্তে ফ্লোরিয়ান রিটজ ফিরতে পারেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গাসহ সারাদেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

শুক্রবার মাঠে নামবে দুই পরাশক্তি স্পেন বনাম জার্মানি

প্রকাশের সময় : ১০:০৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০২৪

স্পেনের সাথে ৩ যুগের অপেক্ষা ফুরাতে চায় জার্মানি। ১৯৮৮ সালের পর কোনো টুর্নামেন্টে স্পেনকে হারাতে পারেনি জার্মানি। ভুলে যাওয়া সেই স্বাদ ফিরে পেতে মরিয়া এবারের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের স্বাগতিকেরা। আসরের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে প্রতিযোগিতার সবচেয়ে সফল দল স্পেনের মুখোমুখি হবে ইউলিয়ান নাগেলসমানের দল।

ইউরোপের দুই ফুটবল পরাশক্তি চতুর্থবারের মত মহাদেশীয় এই টুর্নামেন্টের শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত ১০টায়।

একে অপরকে ছাড়িয়ে যেতে হলে নিজেদের সেরাটা দেবার বিকল্প নেই। ঘরের মাঠে জার্মানি বাড়তি সুবিধা পাবে, এটা মানতে নারাজ এখনো পর্যন্ত পয়েন্ট না হারানো স্পেন। বহুল প্রতিক্ষিত এই ম্যাচটির দিকে চোখ থাকবে পুরো ফুটবল বিশ্বের। এই ম্যাচে জয়ী দল সেমিফাইনালে পর্তুগাল বনাম ফ্রান্সের মধ্যকার বিজয়ী দলের মোকাবেলা করবে।

২০০৮ সালের পর প্রথমবারের মত ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে তিনটি গ্রুপ ম্যাচেই জয়ী স্পেন একমাত্র দল হিসেবে শতভাগ জয়ের রেকর্ড নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকেট নিশ্চিত করে। রোববার শেষ ষোলর ম্যাচে তারা জর্জিয়াকে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে উঠেছে। এ নিয়ে প্রতিযোগিতাটিতে টানা ১০ ম্যাচে জয়ের ধারা ধরে রেখেছে স্পেন।

লুইস ডি লা ফুয়েন্তের তারুণ্যনির্ভর সাহসী দল আত্মবিশ্বাসী মনোভাব নিয়েই জার্মানির বিপক্ষে মাঠে নামতে যাচ্ছে। শেষ পাঁচটি ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে এই প্রথম তারা শেষ আটের টিকেট পেয়েছে। এমনকি জার্মানির জসুয়া কিমিচ স্বীকার করেছে এবারের টুর্নামেন্টে সবচেয়ে আকর্ষনীয় দল হলো স্পেন।

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে অষ্টম স্থানে থাকা স্পেন ১৯৮৮ সালের পর জার্মানির বিপক্ষে শেষ ছয়টি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচের একটিতেও পরাজিত হয়নি। ছয়টি ম্যাচের তিনটিতে জয় ও তিনটি ড্র হয়েছে। অতি সম্প্রতি ২০২২ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে এই দুই দলের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল।

লা রোজারা ২০০৮ ইউরোর ফাইনালে জার্মানিকে ১-০ গোলে পরাজিত করে শিরোপা জয়ের ম্যাচটি নিঃসন্দেহে পুনরাবৃত্তি করতে চাইবে। ফার্নান্দো তোরেস জয়সূচক গোলটি করেছিলেন। এছাড়া ২০২০ সালের নভেম্বরে উয়েফা নেশন্স লিগে জার্মানিকে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল স্পেন। এই ম্যাচে আরেক তোরেস, ফেরান তোরেস করেছিলেন স্মরণীয় হ্যাটট্রিক।

তবে স্পেনের একটি বিস্ময়কর রেকর্ড রয়েছে। ইউরো কিংবা বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে কখনই তারা স্বাগতিক দেশকে হারাতে পারেনি। ১৯৩৪ সালের পর থেকে এমন নয়টি ম্যাচেই প্রতিটিতেই তারা পরাজিত হয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে।

১৯৯৬ সালের পর প্রথম প্রতিযোগিতাটিতে জয়ের পথে ভালভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে স্বাগতিক জার্মানি। শনিবার শেষ ষোলর ম্যাচে তারা ডেনমার্ককে ২-০ গোলে পরাজিত করে আত্মবিশ্বাস নিয়ে স্পেনের মোকাবেলা করতে যাচ্ছে। নক আউট পর্বে ডেনমার্কের বিপক্ষে জার্মানির ম্যাচটি ছিল নাটকীয়তায় ভরা। প্রচণ্ড বৃষ্টির কারণে প্রায় আধা ঘন্টা ম্যাচ বন্ধ ছিল। এরপর ভিএআর বিতর্ক ম্যাচের গতি নষ্ট করেছে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে কেই হাভার্টজ ও জামাল মুসিয়ালার গোলে জার্মানীর জয় নিশ্চিত হয়। মুসিয়ালা এ পর্যন্ত তিন গোল করে ইউরোর সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন।

ডর্টমুন্ডের ম্যাচের পর জার্মান কোচ ইউলিয়ান নাগলসমানের দাবী, তার দলের খেলোয়াড়রা নিজেদের প্রমান করতে শুরু করেছে। ২০১৬ সালের পর প্রথমবারের মত বড় কোন টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার সুযোগ তারা হাতছাড়া করতে চায়না। বিশ্বকাপে ১৪ বার ও ইউরোতে পাঁচবার মিলিয়ে সর্বমোট ১৯তম কোয়ার্টার ফাইনাল খেলতে মাঠে নামবে জার্মানি। বৈশ্বিক এই দুটি বড় টুর্নামেন্টে আর কোন দল এতবার শেষ আটে খেলেনি।

ইউরো ২০২৪’এ সবচেয়ে বেশী গোল (১০), সবচেয়ে বেশী আক্রমন (২৬৫), গোলের সবচেয়ে বেশী শট (৭১), গড়ে সর্বোচ্চ পজিশন (৬২%) নিয়ে শেষ আটে খেলতে এসেছে জার্মানরা। তার উপর তাদের সাথে রয়েছে উচ্ছসিত স্বাগতিক সমর্থক। সব মিলিয়ে নিজেদের এগিয়ে নিয়ে যাবার সব ক্ষেত্রই প্রস্তুত আছে ডাই ম্যানশাফদের। এখন শুধু মাঠে নিজেদের প্রমানের অপেক্ষা।

নাগলসমান যুগ শুরু হবার আগে ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৬তম স্থানে থাকা দলটি ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে নিয়েছে। র‌্যাঙ্কিংয়ে এত নীচে আর আগে কখনই জার্মানরা নামেনি। সব ধরনের প্রতিযোগিতায় স্পেনের বিপক্ষে শেষ ১১টি লড়াইয়ে মাত্র দুটিতে জয়ী হয়েছে জার্মানি। ২০১৪ সালে ৮৯ মিনিটে টনি ক্রুসের গোলে প্রীতি ম্যাচে সর্বশেষ জয়টি এসেছিল।

ঘরের মাঠে শেষ আট ম্যাচে অবশ্য লা রোজাদের বিপক্ষে অপরাজিত রয়েছে জার্মানরা। এর মধ্যে পাঁচটিতে জয়ী ও তিনটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। প্রতিযোগিতাটির কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে এখনো কোন স্বাগতিক দল বিদায় নেয়নি।

শুক্রবারের ম্যাচে স্প্যানিশ বস ডি লা ফুয়েন্তে অপরিবর্তিত দল নিয়ে মাঠে নামার ইঙ্গিত দিয়েছেন। ১৬ বছর বয়সী লামিন ইয়ামাল ও এ্যাথলেটিকো বিলবাও নিকো উইলিয়ামস তিন জনের আক্রমনভাগে অধিনায়ক আলভারো মোরাতার সঙ্গী হবে। সেন্ট্রাল মিডফিল্ডে পেড্রিকে ছাড়িয়ে ওলমো ও মিকেল মেরিনোর খেলার সম্ভাবনাই বেশী। তবে মূল একাদশে রড্রি ও ফাবিয়ান রুইজের সাথে পেড্রিও খেলতে পারেন। পায়ের ইনজুরি কাটিয়ে নাচো ফার্নান্দেজের দলে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। তাকে জায়গা দিতে সেন্ট্রাল ডিফেন্সে লি নরমান্ড অথবা অমারিক লাপোর্তের মধ্যে একজন বদলী বেঞ্চে চলে যাবেন। ফুল-ব্যাক হিসেবে মাঠে নামবেন ডানি কারভাহাল ও মার্ক কুকুরেলা।

অন্যদিকে সেন্টার-ব্যাক জোনাথান টাহ নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে জার্মান দলে ফিরছেন। ডেনমার্কের বিরুদ্ধে বাদ পড়েছিলেন লেফট-ব্যাক ম্যাক্সিমিলিয়ান মিটেলস্টাডে। কিন্তু ডেভিড রমকে ছাড়িয়ে তারই মূল দলে ফেরার সম্ভাবনা বেশী। আক্রমনভাগে লেরয় সানের পরিবর্তে ফ্লোরিয়ান রিটজ ফিরতে পারেন।