১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই কানাডার বিশাল সংগ্রহ

টেক্সাসের ডালাসের প্রেইরি ভিউ স্টেডিয়ামেই যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে খেলেছিল বাংলাদেশ। দ্বিপাক্ষিক সেই সিরিজে তুলনামূলক ধীর গতির উইকেট হয়েছিল খবরের শিরোনাম। মাঝে টর্নেডোর আঘাতে স্টেডিয়ামের বিগ স্ক্রিন ভেঙে পড়ায় উদ্বোধনী ম্যাচ নিয়েও দেখা দেয় শঙ্কা। তবে সবকিছু পাশ কাটিয়ে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ গড়ালো ঠিকভাবে

আর সেই ম্যাচের প্রথম ইনিংসে রানও এলো বিস্তর। নিজেদের শেষ ৫ ম্যাচে কোনো জয়ের দেখা না পাওয়া কানাডা রীতিমতো ঝড় তুলল প্রেইরি ভিউ স্টেডিয়ামে। উদ্বোধনী ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের বোলারদের ব্যাপক শাসন করে কানাডা স্কোরবোর্ডে জমা করেছে ১৯৪ রানের বড় সংগ্রহ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুটাও হলো মনে রাখার মতোই।

বিশ্বকাপের প্রথম বলেই ছিল চারের মার। প্রবাদের মতো বলতেই হতো, সকাল দেখে বোঝা যায় দিন কেমন যাবে। প্রবাদের সেই কথাটা সত্য হলো কানাডার বাকি ইনিংসের জন্য। টস জিতে মোনাক প্যাটেলের বোলিং নেয়ার সিদ্ধান্তটাই যেন বুমেরাং হয়ে এলো স্বাগতিকদের জন্য। দুই ওপেনার অ্যারন জনসন এবং নভোনিত ঢালীওয়াল শুরু থেকেই চড়াও হন যুক্তরাষ্ট্রের বোলারদের ওপর।

৬ষ্ঠ ওভারে অ্যারন আউট হন ১৬ বলে ২৩ রান করে। প্রগত সিং এসে ভরসা দিতে পারেননি। তবে চারে নামা নিকোলাস কির্তন যেন বদলে দিলেন পুরো পরিবেশ। নভোনীত শুরু থেকেই ছিলেন আগ্রাসী। তাতে বাড়তি হাওয়া দিয়েছেন কির্তন। দুজনের ৬.১ ওভারের জুটি থেকে এসেছে ৬২ রান। অর্থাৎ, ওভারপ্রতি ১০ রান করে নিয়েছেন দুই কানাডিয়ান ব্যাটার।

নভোনীত তুলে নিয়েছেন এবারের আসরের প্রথম ফিফটি। ৬১ রানের ইনিংসে ছিল ৬ চার আর ৩ ছক্কার মার। ১২৮ রানে তিনি ফিরে গেলেও কির্তন ছিলেন অবিচল। ৩০ বলেই ফিফটি তুলে নেন। দলকে পৌঁছে দেন শক্ত অবস্থানে। যদিও ৫১ রানেই থামতে হয় তাকে। কির্তনের আউটের পরেই খানিকটা ধাক্কা খায় কানাডা। যুক্তরাষ্ট্রও আশা পায় ম্যাচে ফেরার।

কিন্তু শেষ দুই ওভারে ৩৫ রান নিয়ে ম্যাচটাকে আবারও নিজেদের করে নেন শ্রেয়াশ মোভা এবং দিলপ্রীত বাজওয়া। শ্রেয়াশ খেলেছেন ১৬ বলে ৩২ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। আর বাজওয়া উপহার দিয়েছেন ৫ বলে ১১ রানের ক্যামিও। তাতেই ১৯৪ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড়ায় কানাডার। যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে এদিন সংগ্রাম করেছেন সব বোলারই। আলি খান, হারমিত সিং এবং কোরি অ্যান্ডারসন পেয়েছেন ১টি করে উইকেট।

One thought on “বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই কানাডার বিশাল সংগ্রহ

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গাসহ সারাদেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই কানাডার বিশাল সংগ্রহ

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৪:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ জুন ২০২৪

টেক্সাসের ডালাসের প্রেইরি ভিউ স্টেডিয়ামেই যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে খেলেছিল বাংলাদেশ। দ্বিপাক্ষিক সেই সিরিজে তুলনামূলক ধীর গতির উইকেট হয়েছিল খবরের শিরোনাম। মাঝে টর্নেডোর আঘাতে স্টেডিয়ামের বিগ স্ক্রিন ভেঙে পড়ায় উদ্বোধনী ম্যাচ নিয়েও দেখা দেয় শঙ্কা। তবে সবকিছু পাশ কাটিয়ে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ গড়ালো ঠিকভাবে

আর সেই ম্যাচের প্রথম ইনিংসে রানও এলো বিস্তর। নিজেদের শেষ ৫ ম্যাচে কোনো জয়ের দেখা না পাওয়া কানাডা রীতিমতো ঝড় তুলল প্রেইরি ভিউ স্টেডিয়ামে। উদ্বোধনী ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের বোলারদের ব্যাপক শাসন করে কানাডা স্কোরবোর্ডে জমা করেছে ১৯৪ রানের বড় সংগ্রহ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুটাও হলো মনে রাখার মতোই।

বিশ্বকাপের প্রথম বলেই ছিল চারের মার। প্রবাদের মতো বলতেই হতো, সকাল দেখে বোঝা যায় দিন কেমন যাবে। প্রবাদের সেই কথাটা সত্য হলো কানাডার বাকি ইনিংসের জন্য। টস জিতে মোনাক প্যাটেলের বোলিং নেয়ার সিদ্ধান্তটাই যেন বুমেরাং হয়ে এলো স্বাগতিকদের জন্য। দুই ওপেনার অ্যারন জনসন এবং নভোনিত ঢালীওয়াল শুরু থেকেই চড়াও হন যুক্তরাষ্ট্রের বোলারদের ওপর।

৬ষ্ঠ ওভারে অ্যারন আউট হন ১৬ বলে ২৩ রান করে। প্রগত সিং এসে ভরসা দিতে পারেননি। তবে চারে নামা নিকোলাস কির্তন যেন বদলে দিলেন পুরো পরিবেশ। নভোনীত শুরু থেকেই ছিলেন আগ্রাসী। তাতে বাড়তি হাওয়া দিয়েছেন কির্তন। দুজনের ৬.১ ওভারের জুটি থেকে এসেছে ৬২ রান। অর্থাৎ, ওভারপ্রতি ১০ রান করে নিয়েছেন দুই কানাডিয়ান ব্যাটার।

নভোনীত তুলে নিয়েছেন এবারের আসরের প্রথম ফিফটি। ৬১ রানের ইনিংসে ছিল ৬ চার আর ৩ ছক্কার মার। ১২৮ রানে তিনি ফিরে গেলেও কির্তন ছিলেন অবিচল। ৩০ বলেই ফিফটি তুলে নেন। দলকে পৌঁছে দেন শক্ত অবস্থানে। যদিও ৫১ রানেই থামতে হয় তাকে। কির্তনের আউটের পরেই খানিকটা ধাক্কা খায় কানাডা। যুক্তরাষ্ট্রও আশা পায় ম্যাচে ফেরার।

কিন্তু শেষ দুই ওভারে ৩৫ রান নিয়ে ম্যাচটাকে আবারও নিজেদের করে নেন শ্রেয়াশ মোভা এবং দিলপ্রীত বাজওয়া। শ্রেয়াশ খেলেছেন ১৬ বলে ৩২ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। আর বাজওয়া উপহার দিয়েছেন ৫ বলে ১১ রানের ক্যামিও। তাতেই ১৯৪ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড়ায় কানাডার। যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে এদিন সংগ্রাম করেছেন সব বোলারই। আলি খান, হারমিত সিং এবং কোরি অ্যান্ডারসন পেয়েছেন ১টি করে উইকেট।