০২:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সন্তান ঘুমাতে চায় না? যা করবেন 

Ada. Munna Telecom1

শিশুরা যদি পর্যাপ্ত না ঘুমায় তাহলে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে। দ্রুত বেড়ে ওঠে না। নানান সমস্যার সম্মুক্ষিন হয়ে হয়। তাই ছোটদের ৯-১০ ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি। তবে অনেক শিশুই ঘুমাতে চায় না। আবার প্রয়োজনের চেয়ে অনেক কম ঘুমায়।

এতে তারা বেশিরভাগ সময় ঠান্ডা-কাশি-জ্বর-হজমে সমস্যাসহ নানান অসুখে ভোগে। তাই ছোট্ট সোনামণিকে যেভাবেই হোক পর্যাপ্ত সময় ঘুম পাড়াতে হবে। এখন হয়তো ভাবছেন কীভাবে? ভালো ঘুমের জন্য সন্তানকে নিয়মিত কিছু খাবার খাওয়ান। সেসব খাবারে থাকা বিভিন্ন উপাদান সেরোটোনিন ও মেলাটোনিন ক্ষরণে সাহায্য করে। আর এ কারণেই দ্রুত ঘুম চলে আসে।

মাছ : কথায় আছে মাছে-ভাতে বাঙালি। আর আপনার সন্তানকেও ছোট থেকেই মাছে অভ্যস্ত করে তুলতে হবে। মাছে রয়েছে ভরপুর প্রোটিন। প্রোটিন পেশির জোর বাড়াবে। শুধু তাই নয়, এতে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডসহ অন্যান্য খনিজ ও ভিটামিনের গুণে দ্রুত ঘুম চলে আসে।

মিষ্টি আলু : মিষ্টি আলুতে রয়েছে ভরপুর বিটা ক্যারোটিন। বিটা ক্যারোটিন চোখের জ্যোতি বাড়ায়। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে। এর পাশাপাশি এতে থাকা খনিজ ও ভিটামিনের গুণে শরীর শান্ত হয়। পেশি যখন শান্ত হয়, তখন এমনিতেই ঘুম চলে আসে। তাই বিশেষজ্ঞরা নিয়মিত মিষ্টি আলু খাওয়ার পরামর্শ দেন।

কলা : শিশুরা কলা খেতে ভালোবাসে। আর তাদের এই ভালোবাসার ফলটিকেই খাওয়াতে হবে। কলায় আছে এমন কিছু উপাদান যা সেরোটোনিন ও মেলাটোনিন ক্ষরণে সাহায্য করে। আর এতে তাড়াতাড়ি ঘুম আসে। শুধু তাই নয়, এতে আছে বেশ কিছু খনিজ উপাদান, যা পেশি শান্ত রাখে। তাই আজ থেকেই সন্তানকে ঘুমের আগে একটি করে কলা খাওয়ান।

ওটস : আপনার সন্তানকে ছোট থেকেই ওটসে অভ্যস্ত করে তুলুন। ওটস খেলে শিশুর শরীরে মেলাটোনিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়বে। যার ফলে শুয়ে পড়লেই তার চোখে ঘুম চলে আসবে। ওটস ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে, এনার্জি বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় ইউপি সদস্যের বাড়িতে লুকানো ছিল ১০০০ লিটার ডিজেল: ১৫ দিনের কারাদণ্ড

সন্তান ঘুমাতে চায় না? যা করবেন 

প্রকাশের সময় : ০৯:০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৪

শিশুরা যদি পর্যাপ্ত না ঘুমায় তাহলে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে। দ্রুত বেড়ে ওঠে না। নানান সমস্যার সম্মুক্ষিন হয়ে হয়। তাই ছোটদের ৯-১০ ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি। তবে অনেক শিশুই ঘুমাতে চায় না। আবার প্রয়োজনের চেয়ে অনেক কম ঘুমায়।

এতে তারা বেশিরভাগ সময় ঠান্ডা-কাশি-জ্বর-হজমে সমস্যাসহ নানান অসুখে ভোগে। তাই ছোট্ট সোনামণিকে যেভাবেই হোক পর্যাপ্ত সময় ঘুম পাড়াতে হবে। এখন হয়তো ভাবছেন কীভাবে? ভালো ঘুমের জন্য সন্তানকে নিয়মিত কিছু খাবার খাওয়ান। সেসব খাবারে থাকা বিভিন্ন উপাদান সেরোটোনিন ও মেলাটোনিন ক্ষরণে সাহায্য করে। আর এ কারণেই দ্রুত ঘুম চলে আসে।

মাছ : কথায় আছে মাছে-ভাতে বাঙালি। আর আপনার সন্তানকেও ছোট থেকেই মাছে অভ্যস্ত করে তুলতে হবে। মাছে রয়েছে ভরপুর প্রোটিন। প্রোটিন পেশির জোর বাড়াবে। শুধু তাই নয়, এতে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডসহ অন্যান্য খনিজ ও ভিটামিনের গুণে দ্রুত ঘুম চলে আসে।

মিষ্টি আলু : মিষ্টি আলুতে রয়েছে ভরপুর বিটা ক্যারোটিন। বিটা ক্যারোটিন চোখের জ্যোতি বাড়ায়। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে। এর পাশাপাশি এতে থাকা খনিজ ও ভিটামিনের গুণে শরীর শান্ত হয়। পেশি যখন শান্ত হয়, তখন এমনিতেই ঘুম চলে আসে। তাই বিশেষজ্ঞরা নিয়মিত মিষ্টি আলু খাওয়ার পরামর্শ দেন।

কলা : শিশুরা কলা খেতে ভালোবাসে। আর তাদের এই ভালোবাসার ফলটিকেই খাওয়াতে হবে। কলায় আছে এমন কিছু উপাদান যা সেরোটোনিন ও মেলাটোনিন ক্ষরণে সাহায্য করে। আর এতে তাড়াতাড়ি ঘুম আসে। শুধু তাই নয়, এতে আছে বেশ কিছু খনিজ উপাদান, যা পেশি শান্ত রাখে। তাই আজ থেকেই সন্তানকে ঘুমের আগে একটি করে কলা খাওয়ান।

ওটস : আপনার সন্তানকে ছোট থেকেই ওটসে অভ্যস্ত করে তুলুন। ওটস খেলে শিশুর শরীরে মেলাটোনিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়বে। যার ফলে শুয়ে পড়লেই তার চোখে ঘুম চলে আসবে। ওটস ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে, এনার্জি বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।