১১:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তেহরানসহ ইরানের ৬ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

Ada. Munna Telecom1

রাজধানী তেহরানের পাশাপাশি ইরানের অন্তত ৫টি শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটেছে। এই শহরগুলো হলো ইস্ফাহান, কোম, লোরেস্তান, কারাজ, কেরমানশাহ এবং তাবরিজ।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি এবং সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ইরনা তাদের প্রতিবেদনে নিশ্চিত করেছে এ তথ্য।

আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সকাল ৮ টার দিকে ইরানের রাজধানী তেহরানের কেন্দ্রস্থলে প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া যায়। তার অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে এই ৬ শহরেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ফার্স নিউজ এবং ইরনা।

ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ব্যাপারটি স্বীকার করেছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।

সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) জানিয়েছে, তেহরানে যে স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে, তার কাছেই ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দপ্তর।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় ইউপি সদস্যের বাড়িতে লুকানো ছিল ১০০০ লিটার ডিজেল: ১৫ দিনের কারাদণ্ড

তেহরানসহ ইরানের ৬ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

প্রকাশের সময় : ০২:১৩:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজধানী তেহরানের পাশাপাশি ইরানের অন্তত ৫টি শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটেছে। এই শহরগুলো হলো ইস্ফাহান, কোম, লোরেস্তান, কারাজ, কেরমানশাহ এবং তাবরিজ।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি এবং সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ইরনা তাদের প্রতিবেদনে নিশ্চিত করেছে এ তথ্য।

আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সকাল ৮ টার দিকে ইরানের রাজধানী তেহরানের কেন্দ্রস্থলে প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া যায়। তার অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে এই ৬ শহরেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ফার্স নিউজ এবং ইরনা।

ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ব্যাপারটি স্বীকার করেছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।

সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) জানিয়েছে, তেহরানে যে স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে, তার কাছেই ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দপ্তর।