০২:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে যুবলীগ সভাপতিকে গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ

Ada. Munna Telecom1

ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শামীম হোসেন মোল্লাকে গণপিটুনির পর পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে ছাত্ররা। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা যুবলীগ নেতার ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটিও ভাঙচুর করে। বুধবার (৫ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ঝিনাইদহ শহরের এলজিইডি কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শৈলকূপা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শামীম হোসেন মোল্লা এলজিইডির জেলা কার্যালয়ে আসেন। এ সময় ছাত্রদের একটি গ্রুপের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উপস্থিত ছাত্র জনতা তাকে মারধর করে এবং তার প্রাইভেটকারে ভাঙচুর চালায়। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা ঘটনাস্থলে পৌঁছে শামীম মোল্লাকে উদ্ধার করেন। এরপর তারা তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে যুবলীগ নেতাকে থানায় নিয়ে আসি। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা অভিযোগ নেই। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তাকে সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসা শেষে তাকে শৈলকূপা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় ইউপি সদস্যের বাড়িতে লুকানো ছিল ১০০০ লিটার ডিজেল: ১৫ দিনের কারাদণ্ড

ঝিনাইদহে যুবলীগ সভাপতিকে গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ

প্রকাশের সময় : ০৬:১২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শামীম হোসেন মোল্লাকে গণপিটুনির পর পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে ছাত্ররা। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা যুবলীগ নেতার ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটিও ভাঙচুর করে। বুধবার (৫ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ঝিনাইদহ শহরের এলজিইডি কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শৈলকূপা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শামীম হোসেন মোল্লা এলজিইডির জেলা কার্যালয়ে আসেন। এ সময় ছাত্রদের একটি গ্রুপের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উপস্থিত ছাত্র জনতা তাকে মারধর করে এবং তার প্রাইভেটকারে ভাঙচুর চালায়। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা ঘটনাস্থলে পৌঁছে শামীম মোল্লাকে উদ্ধার করেন। এরপর তারা তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে যুবলীগ নেতাকে থানায় নিয়ে আসি। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা অভিযোগ নেই। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তাকে সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসা শেষে তাকে শৈলকূপা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।