০৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি তেল পাচার রোধে চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন ও তল্লাশি জোরদার

Ada. Munna Telecom1

সাম্প্রতিক বৈশ্বিক অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি দেখা দেওয়ায় চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত এলাকায় তেল পাচার রোধে তৎপরতা বাড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৬ বিজিবি)। এ লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় জনবল বৃদ্ধি, টহল জোরদার এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তল্লাশি কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে।

আজ শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান সাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার সুযোগে কিছু অসাধু চক্র দেশে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অধিক মুনাফার আশায় জ্বালানি তেল মজুত কিংবা পাচারের অপচেষ্টা চালাতে পারে, এমন আশঙ্কাকে সামনে রেখে সদর দপ্তর বিজিবির নির্দেশনা অনুযায়ী চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিশেষ সতর্কতা গ্রহণ করেছে।

এর অংশ হিসেবে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট (আইসিপি) সহ চুয়াডাঙ্গা জেলার অধীনস্থ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে বিজিবির জনবল বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি টহল কার্যক্রম, গোয়েন্দা নজরদারি এবং সন্দেহভাজন যানবাহনে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে নিয়মিত তল্লাশি পরিচালনা করা হচ্ছে।

বিজিবি আরও জানায়, বিশেষ করে অতীতে যেসব রুট দিয়ে ডিজেল ও পেট্রোল পাচারের চেষ্টা হয়েছে, সেসব পয়েন্টে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া দর্শনা আইসিপি গেটে দেশীয় ও ভারতীয় পণ্য ভারতে প্রবেশের সময় অতিরিক্ত সতর্কতার সঙ্গে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসান বলেন, চুয়াডাঙ্গা সীমান্তবর্তী এলাকায় জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি বিশেষ টহল, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং সন্দেহভাজন পরিবহনে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত পথে কোনোভাবেই যেন জ্বালানি তেল পাচার হতে না পারে সে বিষয়ে বিজিবি সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, নিয়মিত টহলের পাশাপাশি সন্দেহজনক যেকোনো চলাচলের ওপর কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। দেশের জ্বালানি সম্পদ সুরক্ষায় সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখবে এবং পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় পাচারকালে ২৮০ কেজি সরকারি চাল-আটা জব্দ : জরিমানার পর সেই বিএনপি নেতা বহিষ্কার

জ্বালানি তেল পাচার রোধে চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন ও তল্লাশি জোরদার

প্রকাশের সময় : ০২:১৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

সাম্প্রতিক বৈশ্বিক অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি দেখা দেওয়ায় চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত এলাকায় তেল পাচার রোধে তৎপরতা বাড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৬ বিজিবি)। এ লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় জনবল বৃদ্ধি, টহল জোরদার এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তল্লাশি কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে।

আজ শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান সাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার সুযোগে কিছু অসাধু চক্র দেশে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অধিক মুনাফার আশায় জ্বালানি তেল মজুত কিংবা পাচারের অপচেষ্টা চালাতে পারে, এমন আশঙ্কাকে সামনে রেখে সদর দপ্তর বিজিবির নির্দেশনা অনুযায়ী চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিশেষ সতর্কতা গ্রহণ করেছে।

এর অংশ হিসেবে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট (আইসিপি) সহ চুয়াডাঙ্গা জেলার অধীনস্থ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে বিজিবির জনবল বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি টহল কার্যক্রম, গোয়েন্দা নজরদারি এবং সন্দেহভাজন যানবাহনে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে নিয়মিত তল্লাশি পরিচালনা করা হচ্ছে।

বিজিবি আরও জানায়, বিশেষ করে অতীতে যেসব রুট দিয়ে ডিজেল ও পেট্রোল পাচারের চেষ্টা হয়েছে, সেসব পয়েন্টে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া দর্শনা আইসিপি গেটে দেশীয় ও ভারতীয় পণ্য ভারতে প্রবেশের সময় অতিরিক্ত সতর্কতার সঙ্গে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসান বলেন, চুয়াডাঙ্গা সীমান্তবর্তী এলাকায় জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি বিশেষ টহল, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং সন্দেহভাজন পরিবহনে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত পথে কোনোভাবেই যেন জ্বালানি তেল পাচার হতে না পারে সে বিষয়ে বিজিবি সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, নিয়মিত টহলের পাশাপাশি সন্দেহজনক যেকোনো চলাচলের ওপর কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। দেশের জ্বালানি সম্পদ সুরক্ষায় সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখবে এবং পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।