০৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় তালাবদ্ধ ঘরে মিলল ইজিবাইক চালকের ঝুলন্ত লাশ

Ada. Munna Telecom1

চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের সিএন্ডবি পাড়ায় রফিকুল ইসলাম (৪৫) নামের এক ইজিবাইক চালকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

রফিকুল ইসলাম ওই এলাকার ওহাব আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শহরের সার্কিট হাউস সংলগ্ন ছোট ভাইয়ের বাঁশ ও স্যানিটারি সামগ্রীর দোকানঘরের ভেতর থেকে রফিকুলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দুপুরে রফিকুলের স্ত্রী পাখি স্বামীর খোঁজ নিতে দোকানে গিয়ে স্থানীয় এক কিশোরকে ভিতরে দেখতে পাঠান। কিশোরটি দরজার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে এসে দরজা ভেঙে প্রবেশ করে এবং পুলিশে খবর দেয়।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহিন বলেন, “যতদূর জানি, রফিকুল এক লাখ টাকার মতো ঋণ করেছিল। টাকা না দিতে পারায় তার স্ত্রী কিছুদিন আগে বকাঝকা করেছিল। সে মাদকাসক্তও ছিল, সম্ভবত মাদকের কারণেই সে আত্মহত্যা করেছে।”

অন্যদিকে, নিহতের ছেলে সাহেব বলেন, “আমাদের বাড়িতে কোনো বড় সমস্যা ছিল না। ছোটখাটো বিষয় হয়, কিন্তু বাবার আত্মহত্যার মতো কোনো কারণ নেই। আমরা নিজেরাই ঋণের টাকা পরিশোধ করি, বাবা তা বহন করতেন না।”

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, “খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।”

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় পাচারকালে ২৮০ কেজি সরকারি চাল-আটা জব্দ : জরিমানার পর সেই বিএনপি নেতা বহিষ্কার

চুয়াডাঙ্গায় তালাবদ্ধ ঘরে মিলল ইজিবাইক চালকের ঝুলন্ত লাশ

প্রকাশের সময় : ১২:৫৭:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের সিএন্ডবি পাড়ায় রফিকুল ইসলাম (৪৫) নামের এক ইজিবাইক চালকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

রফিকুল ইসলাম ওই এলাকার ওহাব আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শহরের সার্কিট হাউস সংলগ্ন ছোট ভাইয়ের বাঁশ ও স্যানিটারি সামগ্রীর দোকানঘরের ভেতর থেকে রফিকুলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দুপুরে রফিকুলের স্ত্রী পাখি স্বামীর খোঁজ নিতে দোকানে গিয়ে স্থানীয় এক কিশোরকে ভিতরে দেখতে পাঠান। কিশোরটি দরজার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে এসে দরজা ভেঙে প্রবেশ করে এবং পুলিশে খবর দেয়।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহিন বলেন, “যতদূর জানি, রফিকুল এক লাখ টাকার মতো ঋণ করেছিল। টাকা না দিতে পারায় তার স্ত্রী কিছুদিন আগে বকাঝকা করেছিল। সে মাদকাসক্তও ছিল, সম্ভবত মাদকের কারণেই সে আত্মহত্যা করেছে।”

অন্যদিকে, নিহতের ছেলে সাহেব বলেন, “আমাদের বাড়িতে কোনো বড় সমস্যা ছিল না। ছোটখাটো বিষয় হয়, কিন্তু বাবার আত্মহত্যার মতো কোনো কারণ নেই। আমরা নিজেরাই ঋণের টাকা পরিশোধ করি, বাবা তা বহন করতেন না।”

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, “খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।”