চুয়াডাঙ্গা সদরের নুরনগর মুন্নামোড়ে গরুবাহী একটি হাটাহাম্বার ( শ্যালো ইঞ্জিনচালিত) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের খাদে পড়ে হেলাল (৩৮) নামে এক গরু ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তারাচাঁদ ও শিপন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় মারা গেছে দুটি গরুও।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) ভোররাতে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ আঞ্চলিক মহাসড়কের নুরনগর মুন্নামোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত হেলাল পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া থানার সবুজনগর গ্রামের নয়াল মিয়ার ছেলে। আহত তারাচাদ কুষ্টিয়ার বৃত্তিপাড়া এলাকার আইনাল মন্ডলের ছেলে এবং শিপন কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানার করিমপুর গ্রামের নজরুল শেখের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গরু ব্যবসায়ী হেলাল ১১টি গরু নিয়ে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার উদ্দেশে রওনা হন। সঙ্গে ছিলেন তারাচাদ ও শিপন। তাঁদের গন্তব্য ছিল আলমডাঙ্গার জামজামি এলাকার ঘোষবিলা পশুর হাট, যেখানে গরুগুলো বিক্রির কথা ছিল।
পথে সোমবার ভোররাত ৪টার দিকে নুরনগর মুন্নামোড় এলাকায় পৌছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই গরু ব্যবসায়ী হেলালের মৃত্যু হয়। আহত হন দুজন। এ ছাড়া দুটি গরুও মারা যায়।
দুর্ঘটনার পর কুষ্টিয়ার লালন শাহ এলাকা থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসের যাত্রীরা সড়কের পাশে কয়েকজনকে পড়ে থাকতে দেখে থামেন। পরে তারা উদ্ধারকাজ শুরু করেন এবং ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছে হতাহতদের উদ্ধার করেন।

আহত তারাচাদ বলেন, ১১টি গরু নিয়ে আমরা তিনজন গত রোববার বিকেলে মঠবাড়িয়া থেকে রওনা করি। সোমবার ভোররাতে হঠাৎ চোখে ঘুম চলে আসায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রলিটি রাস্তার পাশের একটি ডোবার মধ্যে পড়ে যায়।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজান জানান, নিহতের সুআরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ছাড়া নিহত গরু ব্যবসায়ী হেলালের কাছ থেকে নগদ ৮২ হাজার ৩৪৫ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
এএইচ
নিজস্ব প্রতিবেদক 




















