‘শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো, পেশা সুরক্ষার ৬০ বছর, মর্যাদার অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে র্যালিটি বের করা হয়। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকাসহ সংশ্লিষ্টরা এতে অংশ নেন। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ঝিনুক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।

পরে বিদ্যালয়টির হলরুমে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এ.বি.এম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী।
আলোচনা সভায় বক্তারা শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা সংরক্ষণ এবং জাতি গঠনে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ.বি.এম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, “শিক্ষা একটি জাতির ভিত্তি, আর সেই ভিত্তি নির্মাণের প্রধান কারিগর শিক্ষকরা। আধুনিক ও সুশিক্ষিত সমাজ বিনির্মাণে তাঁদের ভূমিকা অপরিসীম। ডিজিটাল যুগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী জ্ঞান ও শিক্ষায় গড়ে তুলতে শিক্ষকদের আরও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।” এ সময় তিনি শিক্ষকদের সার্বিক মর্যাদা রক্ষা এবং শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান, সহকারী কমিশনার এস এম আব্দুর রউফ শিবলু ও মীর্জা শহিদুল, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অহীন্দ্র কুমার মন্ডল, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আনিসুর রহমান, ঝিনুক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রেবেকা সুলতানাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারা।
এএইচ
আশিকুর রহমান 


















