১২:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২০১৮ সালের নির্বাচনে বিতর্কিত ভূমিকা

চুয়াডাঙ্গার সাবেক জেলা প্রশাসকসহ ৩২ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (২০১৮ সাল) রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা তৎকালীন ৩২ জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বাধ্যতামূলক অবসরে (ওএসডি) পাঠিয়েছে সরকার। তারা বর্তমানে যুগ্মসচিব পর্যায়ে কর্মরত ছিলেন।

সোমবার (২৭ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনগুলোতে বলা হয়, যেহেতু তাদের চাকরিকাল ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে এবং সরকার জনস্বার্থে তাদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া প্রয়োজন মর্মে বিবেচনা করে। সেহেতু সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৫ ধারার দেওয়া ক্ষমতাবলে সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হয়েছে।

বিধি অনুযায়ী এসব কর্মকর্তা অবসরজনিত সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন বলেও প্রজ্ঞাপনগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে গত ৫ জুলাই ২০১৮ সালের নির্বাচনে পুলিশ সুপারের (এসপি) দায়িত্বে থাকা ৩৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। বিসিএস ২০তম ব্যাচের এসব কর্মকর্তার চাকরির বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছিল।

এছাড়া ২০১৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা ২২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। 

বাধ্যতামূলক অবসরের পাঠানো ওই সময়ের ডিসিরা হলেন- খুলনার ডিসি মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, শেরপুরের ডিসি আনার কলি মাহবুব, কুমিল্লার ডিসি মো. আবুল ফজল মীর, চাঁদপুরের ডিসি মো. মাজেদুর রহমান খান, কুষ্টিয়ার ডিসি মো. আসলাম হোসেন, বান্দরবানের ডিসি মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, নেত্রকোনার ডিসি মঈনউল ইসলাম, নাটোরের ডিসি মো. শাহরিয়ার, শরীয়তপুরের ডিসি কাজী আবু তাহের, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ডিসি এ জেড এম নুরুল হক, ময়মনসিংহের ডিসি মো. মিজানুর রহমান, চট্টগ্রামের ডিসি মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, লক্ষ্মীপুরের ডিসি অঞ্জন চন্দ্র পাল, রাঙামাটির ডিসি এ কে এম মামুনুর রশিদ।

এ তালিকায় আরও রয়েছেন- সুনামগঞ্জের ডিসি মো. আব্দুল আহাদ, কক্সবাজারের ডিসি মো. কামাল হোসেন, পাবনার ডিসি মো. জসিম উদ্দিন, খাগড়াছড়ির ডিসি মো. শহিদুল ইসলাম, ঝিনাইদহের ডিসি সরোজ কুমার নাথ, ফেনীর ডিসি মো. ওয়াহিদুজ্জামান, বরিশালের ডিসি এস এম অজিয়র রহমান, ভোলার ডিসি মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, পটুয়াখালীর ডিসি মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, নীলফামারীর ডিসি নাজিয়া শিরিন, রাজশাহীর ডিসি এস এম আব্দুল কাদের, মাগুরার ডিসি মো. আলী আকবর, হবিগঞ্জের ডিসি মাহমুদুল কবীর মুরাদ, কিশোরগঞ্জের ডিসি মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, নরসিংদীর ডিসি সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, কুড়িগ্রামের ডিসি মোছা. সুলতানা পারভীন, মানিকগঞ্জের ডিসি এস এম ফেরদৌস, চুয়াডাঙ্গার ডিসি গোপাল চন্দ্র দাশ।

সুত্র : ঢাকা পোস্ট

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গার সাবেক জেলা প্রশাসকসহ ৩২ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার

২০১৮ সালের নির্বাচনে বিতর্কিত ভূমিকা

চুয়াডাঙ্গার সাবেক জেলা প্রশাসকসহ ৩২ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার

প্রকাশের সময় : ১২:০৩:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (২০১৮ সাল) রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা তৎকালীন ৩২ জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বাধ্যতামূলক অবসরে (ওএসডি) পাঠিয়েছে সরকার। তারা বর্তমানে যুগ্মসচিব পর্যায়ে কর্মরত ছিলেন।

সোমবার (২৭ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনগুলোতে বলা হয়, যেহেতু তাদের চাকরিকাল ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে এবং সরকার জনস্বার্থে তাদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া প্রয়োজন মর্মে বিবেচনা করে। সেহেতু সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৫ ধারার দেওয়া ক্ষমতাবলে সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হয়েছে।

বিধি অনুযায়ী এসব কর্মকর্তা অবসরজনিত সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন বলেও প্রজ্ঞাপনগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে গত ৫ জুলাই ২০১৮ সালের নির্বাচনে পুলিশ সুপারের (এসপি) দায়িত্বে থাকা ৩৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। বিসিএস ২০তম ব্যাচের এসব কর্মকর্তার চাকরির বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছিল।

এছাড়া ২০১৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা ২২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। 

বাধ্যতামূলক অবসরের পাঠানো ওই সময়ের ডিসিরা হলেন- খুলনার ডিসি মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, শেরপুরের ডিসি আনার কলি মাহবুব, কুমিল্লার ডিসি মো. আবুল ফজল মীর, চাঁদপুরের ডিসি মো. মাজেদুর রহমান খান, কুষ্টিয়ার ডিসি মো. আসলাম হোসেন, বান্দরবানের ডিসি মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, নেত্রকোনার ডিসি মঈনউল ইসলাম, নাটোরের ডিসি মো. শাহরিয়ার, শরীয়তপুরের ডিসি কাজী আবু তাহের, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ডিসি এ জেড এম নুরুল হক, ময়মনসিংহের ডিসি মো. মিজানুর রহমান, চট্টগ্রামের ডিসি মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, লক্ষ্মীপুরের ডিসি অঞ্জন চন্দ্র পাল, রাঙামাটির ডিসি এ কে এম মামুনুর রশিদ।

এ তালিকায় আরও রয়েছেন- সুনামগঞ্জের ডিসি মো. আব্দুল আহাদ, কক্সবাজারের ডিসি মো. কামাল হোসেন, পাবনার ডিসি মো. জসিম উদ্দিন, খাগড়াছড়ির ডিসি মো. শহিদুল ইসলাম, ঝিনাইদহের ডিসি সরোজ কুমার নাথ, ফেনীর ডিসি মো. ওয়াহিদুজ্জামান, বরিশালের ডিসি এস এম অজিয়র রহমান, ভোলার ডিসি মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, পটুয়াখালীর ডিসি মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, নীলফামারীর ডিসি নাজিয়া শিরিন, রাজশাহীর ডিসি এস এম আব্দুল কাদের, মাগুরার ডিসি মো. আলী আকবর, হবিগঞ্জের ডিসি মাহমুদুল কবীর মুরাদ, কিশোরগঞ্জের ডিসি মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, নরসিংদীর ডিসি সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, কুড়িগ্রামের ডিসি মোছা. সুলতানা পারভীন, মানিকগঞ্জের ডিসি এস এম ফেরদৌস, চুয়াডাঙ্গার ডিসি গোপাল চন্দ্র দাশ।

সুত্র : ঢাকা পোস্ট