চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানাধীন রাঙ্গিয়ারপোতা গ্রামে মাদক ব্যবসাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, মফি ও রুস্তমকে ঘিরে গড়ে ওঠা একটি মাদক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এলাকায় মাদকের ব্যবসা রমরমাভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, মাদকের বিস্তার ক্রমেই উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে। এতে এলাকার স্বাভাবিক পরিবেশ ও সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে মাদকের অবাধ বিস্তার তরুণ ও যুবসমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে—এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তারা।
অভিযোগ রয়েছে, রাঙ্গিয়ারপোতা এলাকায় মফি ও রুস্তমের নেতৃত্বে মাদক ব্যবসার একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, মাদক ব্যবসার সঙ্গে মফি ও রুস্তম জড়িত থাকার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তাদের দাবি, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক।
তারা আরও বলেন, এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে শুধু অভিযান পরিচালনা করাই নয়, মাদক সরবরাহ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ ফিরবে এবং তরুণ ও যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে রাখা সম্ভব হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়দের ভাষ্য, মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের দ্রুত ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ এখন জরুরি হয়ে পড়েছে। অভিযোগগুলো তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এলাকাবাসী বলছেন, মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি অভিযোগগুলোর বিষয়ে গোয়েন্দা নজরদারি ও প্রয়োজনীয় তদন্ত করা জরুরি। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে মাদকের বিস্তার আরও বাড়তে পারে। তাই রাঙ্গিয়ারপোতা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করে রাঙ্গিয়ারপোতা এলাকাকে মাদকের বিস্তার থেকে সুরক্ষিত রাখতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স চলছে। কেউ মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকলে তাকে কঠোরভাবে দমন করা হবে। আইনের হাত থেকে কোন মাদক ব্যবসায়ী রক্ষা পাবেনা।
এএইচ
নিজস্ব প্রতিবেদক 









