চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের জীবনা গ্রামে ঈদের দাওয়াত খেতে এসে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার চুরির অভিযোগ উঠেছে এক জামাইয়ের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্ত্রী নিজেই বাদী হয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ মে বিকেল ৩টার দিকে কুতুবপুর ইউনিয়নের মর্তুজাপুর গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে জিল্লাল হোসেন ঈদ উপলক্ষে জীবনা গ্রামের মৃত বজলুর রহমানের বাড়িতে শ্বশুরবাড়ির দাওয়াতে যান। সেখানে স্ত্রী ফারজানা ববি শান্তনার সঙ্গে দুপুরের খাবার গ্রহণ করেন তিনি।
খাবার শেষে হঠাৎ করে শান্তনার ভাবি স্বপ্না খাতুন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত বদরগঞ্জ বাজারে এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান শান্তনা। এ সময় জামাই জিল্লাল হোসেন বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।
চিকিৎসা শেষে বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যরা দেখতে পান, স্বপ্না খাতুনের ঘরের ওয়্যারড্রবের ড্রয়ার খোলা এবং ভেতরে রাখা নগদ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, দুটি স্বর্ণের চেইন, দুই জোড়া কানের দুল ও দুটি স্বর্ণের আংটি উধাও হয়ে গেছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার সময় বাড়িতে অন্য কোনো বহিরাগত ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন না। বিষয়টি নিয়ে জিল্লাল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো সন্তোষজনক জবাব না দিয়ে হঠাৎ করেই নিজের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শ্বশুরবাড়িতে ফেলে রেখে সেখান থেকে চলে যান। এরপর থেকেই তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় পরদিন ৩১ মে ফারজানা ববি শান্তনা বাদী হয়ে তার স্বামী জিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ঈদের আনন্দের মধ্যেই শ্বশুরবাড়িতে এসে জামাইয়ের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠায় স্থানীয়দের মাঝেও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এএইচ
রেডিও চুয়াডাঙ্গা ডেস্ক 





















