০৬:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় চলন্ত পাওয়ারট্রলির পিন ভেঙ্গে দূর্ঘটনা, আহত ১৪ শ্রমিক

আজ শনিবার (৯ আগস্ট) সন্ধার পর সদরের জালশুকা গ্রামের মধ্যে এ দূর্ঘটনা ঘটে।

আহতরা জানান, তারা সবাই ঢালাই শ্রমিক। কাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে চলন্ত অবস্থায় পাওয়ারট্রলির সামনের হ্যাঙ্গারের পিন ভেঙ্গে ইঞ্জিন ও বডি আলাদা হয়ে যায়। এতেই ১৪ জন শ্রমিক আহত হয়েছে।

সদরের শঙ্করচন্দ্র গ্রামে ঢালাই কাজ শেষে ছয়ঘরিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে এ দূর্ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন চুয়াডাঙ্গা সদরের ছয়ঘড়িয়া গ্রামের ঢালাই শ্রমিক মকিদুল ইসলাম (৪৫), হাফিজুর (৩৫), জুলফিকার আলী (৬০), মুন্না (১৮), আনোয়ার (৪০), খালেদ মাসুদ (২৮), লাল্টু (২৫), রাব্বী (২০), আল আমিন (২৬), মামুন (৪৮) আশাদুল (২৮) হোসেন (৩২)।

এরমধ্যে একই গ্রামের সাইফুল ইসলাম (২৮) ও জনির (২৪) অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাদেরকে ভর্তি করেছেন চিকিৎসক।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মেহবুবা মুস্তারী মৌ বলেন, সন্ধ্যা ৭টার দিকে ১৪ জন আহত হয়ে জরুরি বিভাগে আসেন। এরমধ্যে দুজনের অবস্থা আশংকাজন হওয়া তাদেরকে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ফিরে গেছেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

সিজারের পর সংক্রমণ, ফের অস্ত্রোপচার; ক্ষতিপূরণ না পেয়ে চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

চুয়াডাঙ্গায় চলন্ত পাওয়ারট্রলির পিন ভেঙ্গে দূর্ঘটনা, আহত ১৪ শ্রমিক

প্রকাশের সময় : ০৮:২৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫

আজ শনিবার (৯ আগস্ট) সন্ধার পর সদরের জালশুকা গ্রামের মধ্যে এ দূর্ঘটনা ঘটে।

আহতরা জানান, তারা সবাই ঢালাই শ্রমিক। কাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে চলন্ত অবস্থায় পাওয়ারট্রলির সামনের হ্যাঙ্গারের পিন ভেঙ্গে ইঞ্জিন ও বডি আলাদা হয়ে যায়। এতেই ১৪ জন শ্রমিক আহত হয়েছে।

সদরের শঙ্করচন্দ্র গ্রামে ঢালাই কাজ শেষে ছয়ঘরিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে এ দূর্ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন চুয়াডাঙ্গা সদরের ছয়ঘড়িয়া গ্রামের ঢালাই শ্রমিক মকিদুল ইসলাম (৪৫), হাফিজুর (৩৫), জুলফিকার আলী (৬০), মুন্না (১৮), আনোয়ার (৪০), খালেদ মাসুদ (২৮), লাল্টু (২৫), রাব্বী (২০), আল আমিন (২৬), মামুন (৪৮) আশাদুল (২৮) হোসেন (৩২)।

এরমধ্যে একই গ্রামের সাইফুল ইসলাম (২৮) ও জনির (২৪) অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাদেরকে ভর্তি করেছেন চিকিৎসক।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মেহবুবা মুস্তারী মৌ বলেন, সন্ধ্যা ৭টার দিকে ১৪ জন আহত হয়ে জরুরি বিভাগে আসেন। এরমধ্যে দুজনের অবস্থা আশংকাজন হওয়া তাদেরকে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ফিরে গেছেন।