চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মাছ বাজারে ফেসবুকে লাইভ চলাকালে এক সাংবাদিককে মারধর, মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক শেখ মইদুল ইসলাম (৪৫) বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে আলমডাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের পর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে খুঁজছে পুলিশ।
অভিযোগকারী শেখ মইদুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা থেকে প্রকাশিত আজকের খাসখবর পত্রিকার ‘আলমডাঙ্গা মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি। লিখিত অভিযোগে তিনি জানান, বুধবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে আলমডাঙ্গা মাছ বাজারে মাছ বিক্রির বিষয়ে ফেসবুকে লাইভ করছিলেন। এ সময় আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার বাবুপাড়ার আতিয়ার রহমানের ছেলে সিয়াম (২৫) তাকে লাইভ বন্ধ করতে বলেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।
অভিযোগে শেখ মইদুল ইসলাম আরও উল্লেখ করেন, একপর্যায়ে সিয়াম তার ওপর হামলা করেন এবং তাঁর হাতে থাকা ফেসবুক লাইভের মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেন। এরপর তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার পাশাপাশি মুখ ও পিঠে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারা হয়। এতে তাঁর মুখ ও পিঠে কালশিরা ও নীলাফোলা জখম হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকের অভিযোগ, মারধরের সময় তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়। একপর্যায়ে ভবিষ্যতে তাকে যেখানে পাওয়া যাবে, সেখানেই খুন-জখম করার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে কিছুটা সময় লেগেছে। পরে বুধবার রাতে তিনি আলমডাঙ্গা থানায় গিয়ে ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল ইসলাম বলেন, “আমরা অভিযোগ নিয়েছি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
তবে সাংবাদিক শেখ মইদুল ইসলামকে মারধর, মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সিয়ামের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
এএইচ
নিজস্ব প্রতিবেদক 

















