০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নানার মোটরসাইকেল থেকে পড়ে প্রাণ গেল নাতির

নানার মোটরসাইকেল থেকে পড়ে আলামিন (৭) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৭) দিবাগত রাত ২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত আলামিন চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গা উপজেলার জামজামি গ্রামের উত্তরপাড়ার ওমান প্রবাসী সাহেব আলীর ছেলে। দুই ভাই বোনের মধ্যে আলামিন ছিল বড়। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে বাবা-মা যেন পাগলপ্রায়।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী, জামজামি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও ৩ নং ওয়ার্ডের (ইউপি) সদস্য আরিফুল ইসলাম রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ইউপি সদস্য আরিফুল ইসলাম রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, কয়েকদিন আগে আলমডাঙ্গা থেকে মায়ের সঙ্গে নানা বাড়ী ঝিনাইদহে বেড়াতে যায় শিশু আলামিন। দুই ভাই বোনের মধ্যে আলামিন ছিল বড়। গত ২৫ এপ্রিল নানার মোটরসাইকেল থেকে অসাবধানতায় পড়ে যায় আলামিন। সেখান থেকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল শনিবার শিশু আলামিনকে বাড়ি নিয়ে আসলে আবারো অসুস্থ হয়ে পড়ে। সন্ধার পর চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রাত ২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, অভিযোগ না থাকায় অবেদনের পরিপেক্ষিতে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়ায় শিশু আলামিনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

নানার মোটরসাইকেল থেকে পড়ে প্রাণ গেল নাতির

প্রকাশের সময় : ০২:৩৭:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৪

নানার মোটরসাইকেল থেকে পড়ে আলামিন (৭) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৭) দিবাগত রাত ২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত আলামিন চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গা উপজেলার জামজামি গ্রামের উত্তরপাড়ার ওমান প্রবাসী সাহেব আলীর ছেলে। দুই ভাই বোনের মধ্যে আলামিন ছিল বড়। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে বাবা-মা যেন পাগলপ্রায়।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী, জামজামি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও ৩ নং ওয়ার্ডের (ইউপি) সদস্য আরিফুল ইসলাম রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ইউপি সদস্য আরিফুল ইসলাম রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, কয়েকদিন আগে আলমডাঙ্গা থেকে মায়ের সঙ্গে নানা বাড়ী ঝিনাইদহে বেড়াতে যায় শিশু আলামিন। দুই ভাই বোনের মধ্যে আলামিন ছিল বড়। গত ২৫ এপ্রিল নানার মোটরসাইকেল থেকে অসাবধানতায় পড়ে যায় আলামিন। সেখান থেকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল শনিবার শিশু আলামিনকে বাড়ি নিয়ে আসলে আবারো অসুস্থ হয়ে পড়ে। সন্ধার পর চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রাত ২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, অভিযোগ না থাকায় অবেদনের পরিপেক্ষিতে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়ায় শিশু আলামিনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।