০৪:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দামুড়হুদায় কীটনাশক দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে কৃষকের ৭ বিঘা জমির ধান

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কুতুবপুরে রাতের আঁধারে কীটনাশক দিয়ে জমির ৭ বিঘা জমির ধান পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে এই ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, কুতুবপুর গ্রামের কলিম উদ্দীনের ছেলে বজলুর রহমান ও তাইফুর রহমানের ৫ বিঘা ইরি ধান ও একই গ্রামের আরজুল্লাহ মন্ডলের ছেলে আশরাফ আলীর প্রায় ২ বিঘা ধান কে বা কারা রাতের আঁধারে কীটনাশক দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে।

বজলুর রহমান ও তাইফুর রহমান ও আরশাফ আলী বলেন, ‘সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে জমিতে গিয়ে দেখি ধানের জমি সব ধানগাছ পুড়ে শেষ। অন্যের জমি লিজ নিয়ে চাষ করেছি। কী খাবো? কী পরিশোধ করব? মরা ছাড়া আমাদের মতো চাষিদের উপায় নেই।’

স্থানীয়রা জানান, চাষিদের মূল সম্পদ হলো তাদের ফসল। সেটার ক্ষতি হলে তা পূরণ করা সম্ভব নয়। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে তারা প্রণোদনা পেলে হয়ত কিছুটা ঘুরে দাঁড়াতে পারে।

এ বিষয়ে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘বিষয়টি শোনার পর পরই আমরা জমিতে গিয়েছিলাম। বিষয়টা দেখে এসেছি। আমরা সবসময় চাষিদের পাশে আছি, পাশে থাকব।’

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

সিজারের পর সংক্রমণ, ফের অস্ত্রোপচার; ক্ষতিপূরণ না পেয়ে চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

দামুড়হুদায় কীটনাশক দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে কৃষকের ৭ বিঘা জমির ধান

প্রকাশের সময় : ০৮:২১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কুতুবপুরে রাতের আঁধারে কীটনাশক দিয়ে জমির ৭ বিঘা জমির ধান পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে এই ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, কুতুবপুর গ্রামের কলিম উদ্দীনের ছেলে বজলুর রহমান ও তাইফুর রহমানের ৫ বিঘা ইরি ধান ও একই গ্রামের আরজুল্লাহ মন্ডলের ছেলে আশরাফ আলীর প্রায় ২ বিঘা ধান কে বা কারা রাতের আঁধারে কীটনাশক দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে।

বজলুর রহমান ও তাইফুর রহমান ও আরশাফ আলী বলেন, ‘সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে জমিতে গিয়ে দেখি ধানের জমি সব ধানগাছ পুড়ে শেষ। অন্যের জমি লিজ নিয়ে চাষ করেছি। কী খাবো? কী পরিশোধ করব? মরা ছাড়া আমাদের মতো চাষিদের উপায় নেই।’

স্থানীয়রা জানান, চাষিদের মূল সম্পদ হলো তাদের ফসল। সেটার ক্ষতি হলে তা পূরণ করা সম্ভব নয়। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে তারা প্রণোদনা পেলে হয়ত কিছুটা ঘুরে দাঁড়াতে পারে।

এ বিষয়ে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘বিষয়টি শোনার পর পরই আমরা জমিতে গিয়েছিলাম। বিষয়টা দেখে এসেছি। আমরা সবসময় চাষিদের পাশে আছি, পাশে থাকব।’