১১:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দর্শনায় লাইসেন্স ছাড়াই বেকারি, অননুমোদিত রং-ফ্লেভার ও শিল্প লবণ ব্যবহার; জরিমানা ৭০ হাজার

ট্রেড ও স্যানিটারি লাইসেন্স ছাড়াই খাদ্যপণ্য উৎপাদন, অননুমোদিত রং ও ফ্লেভার ব্যবহার, শিল্প লবণ প্রয়োগ এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরির অভিযোগে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা এলাকায় দুটি বেকারিকে মোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দর্শনা এলাকায় পরিচালিত তদারকিমূলক অভিযানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও খাদ্যপণ্যের মান, উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এ সময় এসব অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।

অভিযানে মো. জামাল মিয়ার মালিকানাধীন মেসার্স রিমি ফুডকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির ট্রেড লাইসেন্স ও স্যানিটারি লাইসেন্স না থাকা এবং খাদ্যপণ্যে অননুমোদিত রং ও ফ্লেভার ব্যবহারের বিষয়টি অভিযানে শনাক্ত হয়।

অন্যদিকে, একই ধরনের অনিয়মের পাশাপাশি খাদ্যপণ্যে শিল্প লবণ ব্যবহার এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্য উৎপাদনের অভিযোগে মুসলিম ফাস্ট ফুড অ্যান্ড বেকারিকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

দুটি প্রতিষ্ঠানকে আরোপিত মোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠান দুটির মালিকদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা এবং উৎপাদনস্থল ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন দামুড়হুদার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর নিয়ামত আলী, ক্যাব সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম এবং জেলা পুলিশের একটি দল।

ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকিমূলক অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

দর্শনায় লাইসেন্স ছাড়াই বেকারি, অননুমোদিত রং-ফ্লেভার ও শিল্প লবণ ব্যবহার; জরিমানা ৭০ হাজার

দর্শনায় লাইসেন্স ছাড়াই বেকারি, অননুমোদিত রং-ফ্লেভার ও শিল্প লবণ ব্যবহার; জরিমানা ৭০ হাজার

প্রকাশের সময় : ১০:২৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ট্রেড ও স্যানিটারি লাইসেন্স ছাড়াই খাদ্যপণ্য উৎপাদন, অননুমোদিত রং ও ফ্লেভার ব্যবহার, শিল্প লবণ প্রয়োগ এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরির অভিযোগে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা এলাকায় দুটি বেকারিকে মোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দর্শনা এলাকায় পরিচালিত তদারকিমূলক অভিযানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও খাদ্যপণ্যের মান, উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এ সময় এসব অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।

অভিযানে মো. জামাল মিয়ার মালিকানাধীন মেসার্স রিমি ফুডকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির ট্রেড লাইসেন্স ও স্যানিটারি লাইসেন্স না থাকা এবং খাদ্যপণ্যে অননুমোদিত রং ও ফ্লেভার ব্যবহারের বিষয়টি অভিযানে শনাক্ত হয়।

অন্যদিকে, একই ধরনের অনিয়মের পাশাপাশি খাদ্যপণ্যে শিল্প লবণ ব্যবহার এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্য উৎপাদনের অভিযোগে মুসলিম ফাস্ট ফুড অ্যান্ড বেকারিকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

দুটি প্রতিষ্ঠানকে আরোপিত মোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠান দুটির মালিকদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা এবং উৎপাদনস্থল ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন দামুড়হুদার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর নিয়ামত আলী, ক্যাব সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম এবং জেলা পুলিশের একটি দল।

ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকিমূলক অভিযান অব্যাহত থাকবে।