১২:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ইউপি সদস্য আটক, বিয়ের দাবি; ১০ লাখ টাকা চাঁ দা দাবির গুঞ্জন

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর শহরের পোস্টঅফিস পাড়ার একটি ভাড়া বাসায় প্রবাসীর স্ত্রী রহিমা খাতুনের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও পল্লী পশু চিকিৎসক তারেক হাসানকে আটকের ঘটনা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জীবননগর উপজেলার পুরাতন চাকলা গ্রামের সোলায়মানের সঙ্গে ঝিনাইদহের রহিমা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর নববধূকে বাড়িতে রেখে ২০২০ সালে জীবিকার উদ্দেশ্যে বিদেশে পাড়ি জমান সোলায়মান। এরপর রহিমার সঙ্গে ইউপি সদস্য তারেক হাসানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, গত কয়েক বছর ধরে তাদের মধ্যে এ সম্পর্ক চলছিল।

অভিযোগ রয়েছে, এর আগে রহিমা কয়েকবার তারেক হাসানের সঙ্গে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের হস্তক্ষেপে তাকে স্বামীর বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। সম্প্রতি প্রবাসী স্বামী সোলায়মান দেশে ফেরার পরও রহিমার সঙ্গে তারেকের যোগাযোগ অব্যাহত ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, রহিমা স্বামীকে বাড়িতে রেখে জীবননগর শহরের পোস্টঅফিস পাড়ায় একটি বাসা ভাড়া নেন। ওই বাসায় শুক্রবার রাতে তারেক হাসান গেলে স্থানীয়রা তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান এবং পরে তাদের আটক করেন। এ সময় দুজনই নিজেদের মধ্যে বিয়ে হয়েছে বলে দাবি করেন বলে জানা গেছে।

তবে রহিমা তাঁর প্রথম স্বামী সোলায়মানকে তালাক দিয়েছেন কি না, সে বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও উত্তেজনার সৃষ্টি হলে একপর্যায়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে রহিমা তারেক হাসানের সঙ্গে চলে যান বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে আরও একটি অভিযোগ ও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। একটি পক্ষ রহিমার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে বলে এলাকায় আলোচনা রয়েছে। তবে এ দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কারও বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ, কথিত বিয়ের দাবি এবং চাঁদা দাবির গুঞ্জন—সব মিলিয়ে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সুত্র – দৈনিক মাথাভাঙ্গা

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা: হাসপাতালের নিরাপত্তা, পানি শোধনাগার ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব

চুয়াডাঙ্গায় প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ইউপি সদস্য আটক, বিয়ের দাবি; ১০ লাখ টাকা চাঁ দা দাবির গুঞ্জন

প্রকাশের সময় : ০৮:০৮:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর শহরের পোস্টঅফিস পাড়ার একটি ভাড়া বাসায় প্রবাসীর স্ত্রী রহিমা খাতুনের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও পল্লী পশু চিকিৎসক তারেক হাসানকে আটকের ঘটনা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জীবননগর উপজেলার পুরাতন চাকলা গ্রামের সোলায়মানের সঙ্গে ঝিনাইদহের রহিমা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর নববধূকে বাড়িতে রেখে ২০২০ সালে জীবিকার উদ্দেশ্যে বিদেশে পাড়ি জমান সোলায়মান। এরপর রহিমার সঙ্গে ইউপি সদস্য তারেক হাসানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, গত কয়েক বছর ধরে তাদের মধ্যে এ সম্পর্ক চলছিল।

অভিযোগ রয়েছে, এর আগে রহিমা কয়েকবার তারেক হাসানের সঙ্গে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের হস্তক্ষেপে তাকে স্বামীর বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। সম্প্রতি প্রবাসী স্বামী সোলায়মান দেশে ফেরার পরও রহিমার সঙ্গে তারেকের যোগাযোগ অব্যাহত ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, রহিমা স্বামীকে বাড়িতে রেখে জীবননগর শহরের পোস্টঅফিস পাড়ায় একটি বাসা ভাড়া নেন। ওই বাসায় শুক্রবার রাতে তারেক হাসান গেলে স্থানীয়রা তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান এবং পরে তাদের আটক করেন। এ সময় দুজনই নিজেদের মধ্যে বিয়ে হয়েছে বলে দাবি করেন বলে জানা গেছে।

তবে রহিমা তাঁর প্রথম স্বামী সোলায়মানকে তালাক দিয়েছেন কি না, সে বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও উত্তেজনার সৃষ্টি হলে একপর্যায়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে রহিমা তারেক হাসানের সঙ্গে চলে যান বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে আরও একটি অভিযোগ ও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। একটি পক্ষ রহিমার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে বলে এলাকায় আলোচনা রয়েছে। তবে এ দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কারও বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ, কথিত বিয়ের দাবি এবং চাঁদা দাবির গুঞ্জন—সব মিলিয়ে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সুত্র – দৈনিক মাথাভাঙ্গা