০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় ধর্ষণ মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Ada. Munna Telecom1

আজ বুধবার (২৫ জুন) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) সৈয়দ হাবিবুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা আসামীরা হলেন, জীবননগর উপজেলার মিনাজপুর গ্রামের আব্দুল খালেক (৫৫) এবং আলমডাঙ্গা উপজেলার বারাদি গ্রামের নাজমুল হক (৩৩)।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট এস,এম, শাহজাহান মুকুল রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৮ জুন জীবননগর উপজেলার মিনহাজপুর ছয় বছর বয়সী শিশু মেয়েকে ধর্ষণ করেন আব্দুল খালেক। পরদিন শিশুটির পিতা বাদী হয়ে জীবননগর থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে তৎকালীন থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আকরাম হোসেন একই বছরের ৩১ জুলাই আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

অপরদিকে, ২০২১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর আলমডাঙ্গা উপজেলার বারাদি গ্রামের নাজমুল হক তার বন্ধুর কিশোরী বোনকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এতে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তার বাবা বাদী হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পরে কিশোরী সন্তান জন্ম দিলে আদালতে নির্দেশে ডিএনএ টেস্ট করে সত্যতা পাওয়া যায়। ২০২২ সালের ২৬ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. খসরু আলম তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট এস,এম, শাহজাহান মুকুল রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমানের ভিত্তিতে দুটি ধর্ষণ মামলায় দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দুজনকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আদালতের এই রায় সমাজে অপরাধ প্রবণতা হ্রাস পাবে।

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় ইউপি সদস্যের বাড়িতে লুকানো ছিল ১০০০ লিটার ডিজেল: ১৫ দিনের কারাদণ্ড

চুয়াডাঙ্গায় ধর্ষণ মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশের সময় : ০৪:৪৫:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫

আজ বুধবার (২৫ জুন) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) সৈয়দ হাবিবুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা আসামীরা হলেন, জীবননগর উপজেলার মিনাজপুর গ্রামের আব্দুল খালেক (৫৫) এবং আলমডাঙ্গা উপজেলার বারাদি গ্রামের নাজমুল হক (৩৩)।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট এস,এম, শাহজাহান মুকুল রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৮ জুন জীবননগর উপজেলার মিনহাজপুর ছয় বছর বয়সী শিশু মেয়েকে ধর্ষণ করেন আব্দুল খালেক। পরদিন শিশুটির পিতা বাদী হয়ে জীবননগর থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে তৎকালীন থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আকরাম হোসেন একই বছরের ৩১ জুলাই আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

অপরদিকে, ২০২১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর আলমডাঙ্গা উপজেলার বারাদি গ্রামের নাজমুল হক তার বন্ধুর কিশোরী বোনকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এতে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তার বাবা বাদী হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পরে কিশোরী সন্তান জন্ম দিলে আদালতে নির্দেশে ডিএনএ টেস্ট করে সত্যতা পাওয়া যায়। ২০২২ সালের ২৬ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. খসরু আলম তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট এস,এম, শাহজাহান মুকুল রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমানের ভিত্তিতে দুটি ধর্ষণ মামলায় দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দুজনকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আদালতের এই রায় সমাজে অপরাধ প্রবণতা হ্রাস পাবে।