চুয়াডাঙ্গায় আলমডাঙ্গায় পরকীয়ার প্রেমের জেরে প্রবাসী স্বামীর উপর অভিমান করে শিখা খাতুন (৩৬) নামে এক গৃহবধু আত্মহত্যা করেছেন।
শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) রাতের যে কোন সময় শয়নকক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
শনিবার (১৯ অক্টোবর) সকালে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পরে ময়নাতদন্ত শেষে দুপুরে পরিবারের নিকট মরদেহ হস্তান্তর করে পুলিশ।
আরও পড়ুন
চুয়াডাঙ্গায় পরকীয়ার জেরে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ
নিহত শিখা খাতুন আলমডাঙ্গা উপজেলার রায়সা গ্রামের হারুন আলীর স্ত্রী। তাদের বারো বছরের একটি মেয়ে ও সাত বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, হারুন আলীর সংসারে স্ত্রী সন্তান থাকলেও তিনি স্ত্রীর বড় বোন জোসনা খাতুনের সাথে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। মালয়েশিয়া থেকে হারুন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভিডিও কলে স্ত্রীর বড় বোন জোসনার সাথে কথা বলতেন। দীর্ঘদিন গোপনে পরকীয়া প্রেম চললেও সম্প্রতি স্বামী ও আপন বোনের পরকীয়ার ঘটনা শিখা খাতুনের নজরে আসে। বোনের মোবাইলের ভিডিও কলের দৃশ্যও তিনি নিজ চোখে দেখেন। এ নিয়ে কিছুদিন ধরে শিখার সাথে স্বামী হারুনের মনোমালিন্য চলে আসছিল।
স্থানীয়রা জানায়, এ ঘটনা নিয়ে শুক্রবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। রাতে ছেলে ঘুমিয়ে পড়লে শিখা গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করেন। সকালে তার আত্মহত্যার ঘটনা জানতে পারে পরিবারের লোকজন। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করে।
আরও পড়ুন
চুয়াডাঙ্গায় স্ত্রীকে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে স্বামীর দুধ দিয়ে গোসল
মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতকারী কর্মকর্তা আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) কাজী শামসুল আলম বলেন, স্বামীর সাথে মনোমালিন্যের জেরে শিখা খাতুন গলায় ফাস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল কিনা তা আমাদের কেউ জানাননি। শনিবার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এএইচ
নিজস্ব প্রতিবেদক 
























