০৫:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আবারো বাড়লো গ্যাসের দাম : ১৭২৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৯৪০ টাকা নির্ধারণ

Ada. Munna Telecom1

ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের মূল্য বাড়ানো হয়েছে। প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন, যা আজ সন্ধ্য থেকে কার্যকর হবে।

পাশাপাশি বেড়েছে অটোগ্যাসের দামও। ভোক্তাপর্যায়ে অটোগ্যাসের দাম ৮৯ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা এপ্রিল মাসের শুরুতে নির্ধারণ করা হয়েছিল ৭৯ টাকা ৭৭ পয়সা। 

এর আগে, এপ্রিল মাসের শুরুতেই এলপিজির মূল্য ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। 

এক মাসে দুইবার মূল্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে বিইআরসি বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি সংকট এবং মধ্যপ্রাচ্য বিপদজনক জোন/সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে এলপিজির জাহাজ চলাচল বন্ধ হওয়া, বিকল্প পথে/উৎস থেকে এলপিজি আমদানিতে সময় ও জ্বালানি খরচ বৃদ্ধিসহ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বিমা ও নিরাপত্তা ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এলপিজি আমদানির জাহাজভাড়া ও ট্রেডারের প্রিমিয়াম চার্জ অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য প্রতি মেট্রিক টন ২৫০ মার্কিন ডলার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

আবারো বাড়লো গ্যাসের দাম : ১৭২৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৯৪০ টাকা নির্ধারণ

আবারো বাড়লো গ্যাসের দাম : ১৭২৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৯৪০ টাকা নির্ধারণ

প্রকাশের সময় : ০৪:৫৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের মূল্য বাড়ানো হয়েছে। প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন, যা আজ সন্ধ্য থেকে কার্যকর হবে।

পাশাপাশি বেড়েছে অটোগ্যাসের দামও। ভোক্তাপর্যায়ে অটোগ্যাসের দাম ৮৯ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা এপ্রিল মাসের শুরুতে নির্ধারণ করা হয়েছিল ৭৯ টাকা ৭৭ পয়সা। 

এর আগে, এপ্রিল মাসের শুরুতেই এলপিজির মূল্য ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। 

এক মাসে দুইবার মূল্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে বিইআরসি বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি সংকট এবং মধ্যপ্রাচ্য বিপদজনক জোন/সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে এলপিজির জাহাজ চলাচল বন্ধ হওয়া, বিকল্প পথে/উৎস থেকে এলপিজি আমদানিতে সময় ও জ্বালানি খরচ বৃদ্ধিসহ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বিমা ও নিরাপত্তা ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এলপিজি আমদানির জাহাজভাড়া ও ট্রেডারের প্রিমিয়াম চার্জ অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য প্রতি মেট্রিক টন ২৫০ মার্কিন ডলার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।