১২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দামুড়হুদায় ১৫০০ বস্তা সার জব্দ : নেই বৈধ কাগজপত্র, গোডাউন সিলগালা

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই মজুত করে রাখা ১ হাজার ৫০০ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট গোডাউনটি সিলগালা করা হয়েছে। অবৈধভাবে সার মজুতের ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দামুড়হুদা উপজেলার বিএডিসির সার ডিলার ‘নাঈম অটোমোবাইল ও বীজ ভাণ্ডার’-এর একটি গোডাউনে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় মজুত করা সারের পক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি সংশ্লিষ্ট ডিলার।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাজ্জাদ হোসেন ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণ সরকার যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে গোডাউনটিতে সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে বিপুল পরিমাণ সার মজুত রাখার প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে সেখান থেকে ৩৭০ বস্তা টিএসপি, ১ হাজার ১২০ বস্তা ডিএপি ও ১০ বস্তা এমওপি সার জব্দ করা হয়। সব মিলিয়ে জব্দ করা সারের পরিমাণ ১ হাজার ৫০০ বস্তা।

অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাজ্জাদ হোসেনের উপস্থিতিতে গোডাউনটি সিলগালা করা হয়।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এসব সার মজুত করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। জব্দ করা সার অবৈধভাবে মজুতের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণ সরকার রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিএডিসির সার ডিলারের গোডাউনে যৌথ অভিযান চালিয়ে তিন ধরনের ১ হাজার ৫০০ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। এসব সারের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি ডিলার। এ ঘটনায় দামুড়হুদা মডেল থানায় নিয়মিত মামলা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স বাতিলের বিষয়ে জানতে চাইলে কৃষ্ণ সরকার বলেন, যেহেতু এ ঘটনায় মামলা হয়েছে, তাই লাইসেন্স বাতিলের বিষয়ে আদালতই সিদ্ধান্ত নেবেন।

এদিকে, এ ঘটনায় মামলা ও কাউকে আটক করা হয়েছে কি না, তা জানতে দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেসবাহ উদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

দামুড়হুদায় ১৫০০ বস্তা সার জব্দ : নেই বৈধ কাগজপত্র, গোডাউন সিলগালা

দামুড়হুদায় ১৫০০ বস্তা সার জব্দ : নেই বৈধ কাগজপত্র, গোডাউন সিলগালা

প্রকাশের সময় : ১২:৩৯:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই মজুত করে রাখা ১ হাজার ৫০০ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট গোডাউনটি সিলগালা করা হয়েছে। অবৈধভাবে সার মজুতের ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দামুড়হুদা উপজেলার বিএডিসির সার ডিলার ‘নাঈম অটোমোবাইল ও বীজ ভাণ্ডার’-এর একটি গোডাউনে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় মজুত করা সারের পক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি সংশ্লিষ্ট ডিলার।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাজ্জাদ হোসেন ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণ সরকার যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে গোডাউনটিতে সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে বিপুল পরিমাণ সার মজুত রাখার প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে সেখান থেকে ৩৭০ বস্তা টিএসপি, ১ হাজার ১২০ বস্তা ডিএপি ও ১০ বস্তা এমওপি সার জব্দ করা হয়। সব মিলিয়ে জব্দ করা সারের পরিমাণ ১ হাজার ৫০০ বস্তা।

অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাজ্জাদ হোসেনের উপস্থিতিতে গোডাউনটি সিলগালা করা হয়।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এসব সার মজুত করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। জব্দ করা সার অবৈধভাবে মজুতের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণ সরকার রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিএডিসির সার ডিলারের গোডাউনে যৌথ অভিযান চালিয়ে তিন ধরনের ১ হাজার ৫০০ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। এসব সারের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি ডিলার। এ ঘটনায় দামুড়হুদা মডেল থানায় নিয়মিত মামলা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স বাতিলের বিষয়ে জানতে চাইলে কৃষ্ণ সরকার বলেন, যেহেতু এ ঘটনায় মামলা হয়েছে, তাই লাইসেন্স বাতিলের বিষয়ে আদালতই সিদ্ধান্ত নেবেন।

এদিকে, এ ঘটনায় মামলা ও কাউকে আটক করা হয়েছে কি না, তা জানতে দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেসবাহ উদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।