০৮:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০৫ বছর বয়সী বৃদ্ধাকে উত্যক্তের অভিযোগে ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

শেরপুরের নকলা উপজেলায় ১০৫ বছরের এক বৃদ্ধাকে উত্যক্তের অভিযোগে ৭৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ ভাতিজাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে উপজেলার ধনাকুশা খালপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, মৃত জফিল উদ্দিনের স্ত্রী জাবিরন ভোরবেলা তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ছিলেন। এ সময় একই গ্রামের জবেদ আলী (৭৫) ঘরে ঢুকে তাকে ধাক্কা দিয়ে শারীরিকভাবে উত্যক্ত করার চেষ্টা করেন। জাবিরন চিৎকার করে প্রতিরোধ করেন এবং তাকে ঠেলে ফেলে দেন। পরে ছেলের বউ নুরজাহান ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন।

জানা যায়, ভুক্তভোগী জাবিরন এবং অভিযুক্ত জবেদ আলী চাচি-ভাতিজা সম্পর্কের। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে নকলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জবেদ আলীকে গ্রেপ্তার করে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

১২ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী জাবিরন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, নকলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খালেক বলেন, ঘটনার পর থেকেই আমি তদন্ত করছি। এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জবেদ আলী আগেও এমন ঘটনায় জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। প্রায় এক বছর আগে তার স্ত্রী মারা গেছেন। তার তিন ছেলে ও ছয় মেয়ে থাকলেও কেউ তার খোঁজখবর রাখে না।

এ বিষয়ে শেরপুর জেলা জজ আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর জিয়াউর রহমান বলেন, মামলার একমাত্র আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তার জামিন হয়নি। বিচার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত আদালত নেবে।

সুত্র : ঢাকা পোস্ট

এএইচ

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

বাঁশ কেনার কথা বলে ঘরে ঢুকে বৃদ্ধাকে ধ র্ষ ণ, অভিযুক্তকে ধরে পুলিশে দিলো স্থানীয়রা

১০৫ বছর বয়সী বৃদ্ধাকে উত্যক্তের অভিযোগে ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

প্রকাশের সময় : ০৯:০৫:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

শেরপুরের নকলা উপজেলায় ১০৫ বছরের এক বৃদ্ধাকে উত্যক্তের অভিযোগে ৭৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ ভাতিজাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে উপজেলার ধনাকুশা খালপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, মৃত জফিল উদ্দিনের স্ত্রী জাবিরন ভোরবেলা তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ছিলেন। এ সময় একই গ্রামের জবেদ আলী (৭৫) ঘরে ঢুকে তাকে ধাক্কা দিয়ে শারীরিকভাবে উত্যক্ত করার চেষ্টা করেন। জাবিরন চিৎকার করে প্রতিরোধ করেন এবং তাকে ঠেলে ফেলে দেন। পরে ছেলের বউ নুরজাহান ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন।

জানা যায়, ভুক্তভোগী জাবিরন এবং অভিযুক্ত জবেদ আলী চাচি-ভাতিজা সম্পর্কের। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে নকলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জবেদ আলীকে গ্রেপ্তার করে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

১২ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী জাবিরন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, নকলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খালেক বলেন, ঘটনার পর থেকেই আমি তদন্ত করছি। এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জবেদ আলী আগেও এমন ঘটনায় জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। প্রায় এক বছর আগে তার স্ত্রী মারা গেছেন। তার তিন ছেলে ও ছয় মেয়ে থাকলেও কেউ তার খোঁজখবর রাখে না।

এ বিষয়ে শেরপুর জেলা জজ আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর জিয়াউর রহমান বলেন, মামলার একমাত্র আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তার জামিন হয়নি। বিচার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত আদালত নেবে।

সুত্র : ঢাকা পোস্ট

এএইচ